Viva (বিসিএস ফরেন সার্ভিস)

বিসিএস ফরেন সার্ভিস

* বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির মূল কথা হলো-Friendship to all and malice to none.

আমেরিকার পররাষ্ট্র নীতি: ১) সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ২) অনুন্নত দেশকে সহায়তা ৩) সমাজতন্ত্রের বিসত্মার রোধ।

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র নীতি: ১) শক্তি বৃদ্ধির জন্যে বড় জোটে অংশগ্রহণ ২) পুঁজিবাদকে সমর্থন দান ৩) বাণিজ্য উদারিকরণ

 

কূটনীতি: জাতীয় স্বার্থে দুটি দেশের মধ্যে বিশেষ প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সম্পর্ক স্থাপন ও রক্ষা করাই হলো কূটনীতি।

 

অর্থনৈতিক কূটনীতি: অর্থনৈতিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে যে কূটনৈতিক যোগাযোগ রক্ষা করা হয় তাকে অর্থনৈতিক কুটনীতি বলে। যেমন GSP সুবিধা পুনর্বহালের জন্য বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে অর্থনৈতিক কূটনীতি চালিয়ে যাচ্ছে।

 

পরিবেশ কূটনীতি (Environment Diplomacy): পরিবেশ রক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে এবং এর যৌক্তিকতা তুলে ধরে যে কূটনৈতিক উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা নেওয়া হয় তাকে পরিবেশ কূটনীতি বলে। যেমন-ভারত কর্তৃক আমত্ম:নদী সংযোগ স্থাপন করলে বাংলাদেশে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে মর্মে বাংলাদেশ সরকারের কাছে প্রতীয়মান হওয়ায় সরকার এই আমত্ম:নদী সংযোগ স্থাপনের ক্ষতিকর প্রভাব ভারত সরকারের কাছে তুলে ধরছে।

 

কূটনৈতিক দায়মুক্তি: ভিয়েনা কনভেনশন-১৯৪৯ অনুযায়ী কূটনৈতিক কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গ যে বিশেষ সুবিধা ভোগ করে থাকে তাকে কূটনৈতিক দায়মুক্তি বলে। যেমন-

  • কূটনৈতিক অনুমতি ছাড়া কোনো দেশের কেউ অন্য দেশে প্রবেশ করতে পারবে না।
  • আদালতের কোন এখতিয়ার থাকে না।
  • কোন প্রকার করা বা শুল্ক আরোপ করা যাবে না।
  • কূটনৈতিক কোন দলিল, চিঠি, ডকুমেন্ট, প্যাকেজ খোলা যাবে না।

 

কূটনৈতিক ব্যাগ বা থলে: যে ব্যাগে কূটনৈতিক কোন দলিল, চিঠি, ডকুমেন্ট বা প্যাকেজ বহন করা হয় তাকে কূটনৈতিক ব্যাগ বা থলে বলে।

Persona-non-grata: ভিয়েনা কনভেনশন-১৯৪৯ অনুযায়ী কোন অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি/অবাঞ্চিত ব্যক্তিকে কোন কারণ দর্শন ছাড়াই নিজের দেশ থেকে বহিষ্কার করতে পারে। বহিষ্কৃত ব্যক্তিকে সাধারণত ২৪ ঘন্টার মধ্যে দেশ ছাড়তে হয়।

 

Agreemo (পূর্বানুমতি): রাষ্টদূত বা কূটনৈতিক পদে পাঠানোর আগে যে দেশে পাঠানো হবে সে দেশের পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।

Call on: কোন কূটনীতিক যে দেশে কর্মরত আছে সে দেশের পররাষ্ট্র দপ্তরে ডেকে পাঠানোকে Call on বলে।

Recall: কোন কূটনীতিককে নিজ দেশে ডেকে পাঠানোকে Recall বলে।

 

Credential: রাষ্ট্রদূতের বিশেষ পরিচয়পত্র (Credential উপস্থাপন করার পর যেদিন তা গৃহিত হবে সেদিন থেকে তিনি উক্ত দেশে রাষ্ট্রদূত হিসাবে বিবেচিত হবেন)।

Note Verbal (কূটনৈতিক বিশেষ চিঠি): দুটি দেশের মধ্যে most formal letter যা Head pade-এ এবং Passive Form-এ লেখা হয়।

 

Treats: সীমিত কোন বিষয়ে দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে লিখিত চুক্তিকে Treats বলে। যেমন-একটি নদীর পানি বন্টন চুক্তি।

Agreement: দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক লিখিত চুক্তি যেখানে অন্য দেশের প্রতিনিধিরা চুক্তির ক্ষেত্রে চাপ প্রয়োগ করে তাকে Agreement Treats বলে। Agreement, Treats থেকে শক্তিশালী।

 

Convention: Convention হচ্ছে বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক চুক্তি যা সংশিস্নষ্ট দেশসমূহ মেনে চলতে বাধ্য থাকে। যেমন-জেনেভা কনভেনশন।

 

Accord: প্রায় চুক্তি করার জন্যে সমঝোতা বা চুক্তিতে উপনীত হওয়ার পূর্বাবস্থা অর্থাৎ  মৌখিকভাবে চুক্তি করার জন্য একমত হওয়াকে Accord বলে।

 

Accession: চুক্তি সম্পূর্ণ হওয়ার পরে চুক্তিতে অন্য কোন নতুন দেশ যোগ দেওয়ার যে প্রক্রিয়া তাকে Accession বলে। যেমন-ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য বৃদ্ধি, সার্কের সদস্য বাড়ানো ইত্যাদি।

 

Ratification: যে চুক্তিই করা হোক না কেন তা সংশিস্নষ্ট দেশের পার্লামেন্ট কর্তৃক পাশ করাতে হয়। Ratification না করলে উক্ত চুক্তি বাদ হয়ে যায়। যেমন-USA প্রথমে NPT অনুমোদন করলেও পার্লামেন্ট তা অনুমোদন না করায় চুক্তিটি বাতিল হয়ে যায়।

Détente (দাঁতাত): দুটো শত্রম্ন রাষ্ট্রের মধ্যে শত্রম্নতা বা উত্তেজনা হ্রাসের চেষ্টাকে Détente বলে।

Attente (অাঁতাত): দুটো রাষ্ট্রের মধ্যে যদি গোপন যোগাযোগ বা সম্পর্ক থাকে তাহলে তাকে অাঁতাত বলে।

Defecto: কোন দেশকে লিখিত স্বীকৃতি না দিয়ে মৌখিক স্বীকৃতি দেওয়া হলে তাকে Defecto বলে।

 

নতজানু পররাষ্ট্রনীতি

যখন একটি জাতি অন্য কোন জাতি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করে তথন তাকে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি বলে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কি নতজানু?

স্যার আমি তা মনে করি না। তবে ক্ষুদ্র ও দরিদ্র রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ অনেক সময় নিজের অবস্থান থেকে Foreign Policy গ্রহণ করতে পারে না।

 

* What are the main achievements obtained by the foreign policy of Bangladesh?

Thank you sir for giving me the opportunity to say something about the achievements obtained by the foreign policy. Bangladesh has obtained some achievements by its foreign policy. such as

  • Victory of vast sea area from Myanmar and India.
  • Opening up the 3 bigha corridor.
  • Joining the regional economic blocks like SAARC, BIMSTEC & D-8.
  • Active role in the OIC & Commonwealh.
  • Deploying of armed forces under UN Peace Keeping Mission in the different countries of the world.
  • Active member of Human Rights Commission (HRC)
  • Solving Seat Mahal problem etc.

 

* বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কি হওয়া উচিৎ বলে আপনি মনে করেন?

বাংলাদেশের সংবিধান, ইতিহাস, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, জনসমর্থন, অভ্যমত্মরীণ সম্পদ, অভ্যমত্মরীণ ও আমত্মর্জাতিক রাজনীতির পরিবর্তিত ঘটনাপ্রবাহ প্রভৃতির উপর দৃষ্টি রেখে পররাষ্ট্রনীতি প্রণীত হয়। বিশ্বায়নের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে পররাষ্ট্রনীতি যা হওয়া উচিৎ বলে আমি মনে করি তা হলো-

  • প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ করা।
  • অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারপূর্বক জনশক্তি রপ্তানির নতুন নতুন বাজার বৃদ্ধি করা।
  • পূর্বমুখী অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার করা।
  • আমত্মর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন।
  • প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অনিষ্পন্ন বিষয়গুলোর সুরহা করা।
  • বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা।
  • পশ্চিমা বিশ্বের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন করা।
  • ভূ-রাজনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণপূর্বক তড়িৎ ও বিচক্ষণ সিদ্ধামত্ম নেওয়া।
  • আসিয়ান এ অমত্মর্ভুক্তির জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা।
  • দ্বি-পাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক চুক্তির ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া।
  • কূটনৈতিক মিশনগুলোকে আরো জোরদার করা।
  • যেসব দেশে অর্থনৈতিক বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে সেসব দেশে কূটনৈতিক মিশন চালুর ব্যবস্থা করা।
  • দেশের অভ্যমত্মরীণ অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকল্পে বিকল্প অর্থনৈতিক বাজার খুঁজে বের করা এবং সেসব দেশের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।
  • রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী বাজার সম্প্রসারণের চেষ্টা অব্যাহত রাখা। ইত্যাদি।

 

উত্তর-দক্ষিণ সংলাপ

১৯৭৩ সালে জাতিসংঘ “New International Economic Order (NIEO)” ঘোষণা করে। এই ঘোষণার মাধ্যমে উত্তরের ধনী রাষ্ট্রগুলোর সাথে দক্ষিণের দরিদ্র রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিদ্যমান অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। উত্তরের সাথে দক্ষিণের অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস করার জন্য যে সংলাপ হয় তাকে উত্তর-দক্ষিণ সংলাপ বলে।

 

* নুরেমবার্গ ট্রায়াল: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানীর ন্যাৎসী যুদ্ধাপরাধীদের জার্মানীর নুরেমবার্গ শহরে বিচার করা হয়। এই ট্রায়ালকে নুরেমবার্গ ট্রায়াল বলে।

* ৮ আগস্ট ১৯৪৫ সালে মিত্রশক্তি লন্ডন চুক্তি স্বাক্ষর করে। এই চুক্তির মাধ্যমে স্থির হয় যে, যুদ্ধাপরাধীর বিচার হবে “International Military Tribunal (IMT)” এর মাধ্যমে।

 

* ২৪ নভেম্বর ১৯৪৫ সালে নুরেমবার্গে IMT-তে বিচার শুরম্ন হয়। IMT-তে ২৪ জন ন্যাৎসী যুদ্ধাপরাধী এবং ৭টি সংগঠনের বিরম্নদ্ধে বিচারের জন্য অভিযোগ পেশ করা হয়। নুরেমবার্গ এর ‘‘প্যালেস অব জাস্টিস’’ ভবনে বিচার কার্য অনুষ্ঠিত হয়।

* ১ অক্টোবর, ১৯৪৬ সালে আদালত রাষ ঘোষণা করে। রায়ে ১২ জনের মৃত্যুদ-সহ ৭টি সংগঠনে বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়।

* IMT এবং ICT এর মধ্যে মিল-অমিল।

মিল: ন্যায় বিচার নিশ্চিতকরণ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং চেতনাগত ।

অমিল:

International Military Tribunal (IMT)” International Criminal Tribunal (ICT)”
১. আমত্মর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল। ১. জাতীয় ট্রাইব্যুনাল।
২. সামরিক আদালত। ২. অসামরিক আদালত।
৩. রায়ের বিরম্নদ্ধে আপীলের সুযোগ ছিল না। ৩. রায়ের বিরম্নদ্ধে আপীলের সুযোগ আছে।
৪. সম্মিলিতভাবে (অভিযুক্ত ও ৭ টি সংগঠন) রায় ঘোষণা করা হয়েছিল। ৪. পৃথকভাবে রায় ঘোষণা করা হয়।

 

* ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজ দেশের সমসত্ম তেল সম্পদের মালিকানা রাষ্ট্রায়ত্ব করেছেন।

* কমনওয়েলথভুক্ত দেশের রাষ্ট্রদূতকে হাই-কমিশনার এবং অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রদূতকে এম্বেসেডর বলে। যেমন-ভারতের হাই-কমিশনার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এম্বেসেডর।

* ভুটানের নিজস্ব কোন পররাষ্ট্র নীতি নাই। ভুটান সর্বদা ভারতের পররাষ্ট্রনীতি অনুস্মরণ করে।

* দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় অক্ষশক্তির নেতারা হলেন-জার্মানীর হিটলার, ইতালির মুসোলিনী এবং জাপানের জেনারেল তেজো।

* Central East  : কাজাখিসত্মান, তুর্কিস্থান এবং তাজিকিসত্মান।

* Middle East : কুয়েত, কাতার, সংযু্ক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইরাক, ইয়েমেন

* Near East                  :  জর্ডান, সিরিয়া, লেবানন।

* Far East                    : চীন, জাপান, কোরিয়া।

 

* নেদারল্যান্ডসের স্থায়ী সালিসি আদালতের রায়ে বাঙ্গোপসাগরের বিরোধপূর্ণ ২৫,৬০২ বর্গকিলোমিটার এলাকার মধ্যে বাংলাদেশ পেয়েছে ১৯,৪৬৭ বর্গ কি.মি. এবং ভারত পেয়েছে ৬,১৩৫  বর্গ কি.মি. রায় প্রকাশিত হয় ০৮ জুলাই, ২০১৪।

 

* Cacus (ককাস) পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র তাদের নিজ নিজ স্বার্থ আমেরিকার কংগ্রেসে উপস্থাপনের জন্য যে লবিস্ট নিয়োগ করে তাদেরকে ঐ দেশের ককাস বলে। বাংলাদেশের মার্কিন ককাসের প্রধান জোসেফ কাউলি। ককাস হিসাবে কংগ্রেসম্যান এবং সিনেটরদের নিয়োগ দেওয়া হয়।

* জিও পলিটিক্স এর কারণে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান করে। একই কারণে ভারত ও রাশিয়া বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নেয়।

* ‘গস্নাসনষ্ক’ অর্থ হলো রাজনৈতিকভাবে খোলামেলা আলোচনা এবং ‘প্রেসত্রৈয়িকা’ অর্থ হলো অর্থনৈতিক সংস্কারমূলক কার্যক্রম। রম্নশ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্ভাচেক পদ্ধতি দুটি চালু করেন যার ফলে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে ১৫টি রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

* বর্তমান জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক।

* ষড় রিপুগুলো হলো-কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মাৎ এবং সংসর্ঘ।

* সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী ১২-তম দেশ।

* CIRDAP-এর সদর দপ্তর ঢাকার চামেলী হাউজে অবস্থিত।

* থাইল্যান্ড ও ভারতের সাথে বাংলাদেশের বন্দী বিনিময় চুক্তি রয়েছে।

* মালদ্বীপে ২০০৯ সালে সাগরতলে মন্ত্রীসভার বৈঠক হয়েছিল।

* ‘অ্যাবেই’ সুদান ও দক্ষিণ সুদানের মধ্যে অবস্থিত বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।

* জাতিসংঘে এ পর্যমত্ম মোট ০৭ বার বাংলায় ভাষণ দেওয়া হয়।

* ‘অ্যাবেই’ সুদান ও দক্ষিণ সুদানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।

* বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের সীমামত্ম দৈর্ঘ্য ২৮৩ কি.মি.

* Big Five: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন এবং অস্ট্রেলিয়া।

* 4 Tigers:  তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, হংকং, সিঙ্গাপুর।

* বেলফোর ঘোষণা হল ১৯১৭ সালে স্বাধীন ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা।

* বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয় ১৯৭২ সালের ২৪ নভেম্বর।

* Kyoto Protocal এর মেয়াদ বৃদ্ধি করে ২০২০ সাল করা হয়েছে।

* গত শতাব্দীতে এক হয়েছে কোন কোন দেশ? – ইয়েমেন, জার্মানী

* বাংলাদেশ ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘের শামিত্মরক্ষা বাহিনীতে কাজ করছে।

* ইসরাইলকে এ পর্যমত্ম মিশর ও জর্ডান এই দুটি মুসলিম রাষ্ট্র স্বীকৃতি দিয়েছে।

* বিশ্বের ৫৬টি দেশে বাংলাদেশের দূতাবাস রয়েছে।

* UK এবং গ্রেট ব্রিটেন এর মধ্যে পার্থক্য।

* বিশ্বে শূন্য জনসংখ্যার দেশ-সুইডেন।

* ইন্দোচীন: কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম।

* বাল্টিক রাষ্ট্র: লাটভিয়া, লিথুনিয়া ও এসেত্মানিয়া।

* 3 Tigers: জাপান, জার্মানী ও ইটালি।

* G-4: ভারত, ব্রাজিল, জাপান, জার্মানী।

* সেনাবাহিনী নেই মালদ্বীপ ও কোস্টারিকায়।

* সার্বভৌমত্ব নেই ফিলিসিত্মনের।

* স্থলবেষ্টিত সর্ববৃহৎ দেশ-কাজাখিসত্মান।

* অস্ত্র রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ-যুক্তরাষ্ট্র।

* থর মরম্নভূমি ভারত-পাকিসত্মানে অবস্থিত।

* ভেটো শব্দের অর্থ-আমি ইহা মানি না।

* M-16 ব্রিটেনের গোয়েন্দা সংস্থা।

* পাকিসত্মান মেমোগেট কেলেংকারীর সাথে জড়িত।

* ‘লাদাখ’ ভারত ও চীনের সীমামত্ম অঞ্চলে অবস্থিত।

* জাতি সংঘের মহাসচিব দুইবার বাংলাদেশে এসেছেন।

* মিন্দানাও ফিলিপাইনের মুসলিম অধ্যষিত একটি দ্বীপ।

* আলেকজান্ডার ৩২৭ খ্রি. পূর্বাব্দে ভারতবর্ষে এসেছিলেন।

* ভারতের সাথে বাংলাদেশের অমিমাংশিত এলাকা হচেছ-লাঠিটিলা, দইখাতা, মহুরীর চর অঞ্চলের ৬.৫ কি.মি এলাকা।

* আফ্রিকা মহাদেশের মোজাম্বিক ও এশিয়ার থাইল্যান্ড এই দুই দেশে সাম্রাজ্যবাদ শক্তির কোন কলোনি ছিল না।

* আর্জেন্টিনা স্পেনের এবং ব্রাজিল পর্তুগগালের উপনিবেশ ছিল। আর্জেন্টিনার ভাষা স্পানিশ এবং ব্রাজিলের ভাষা পর্তুগীজ।

* ১০ মে, ২০১১ সালে সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়।

United Kingdom (UK) গ্রেট ব্রিটেন
উত্তর আয়ারল্যান্ড, ওয়েলস, ইংল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ড ওয়েলস, ইংল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ড

 

Accord: চুক্তিতে উপনিত হওয়া পূর্বাবস্থাকে Accord বলে। যেমন-জলবায়ু সম্মেলন।

Accession: কোন চুক্তি হওয়ার পরে নতুন কোন পক্ষের অমত্মর্ভুক্তিকে Accession বলে। যেমন: নতুন দেশ হিসেবে আফগানিসত্মানের সার্কে যোগদান।

Ratification: Ratification অর্থ অনুসমর্থন। দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর উক্ত চুক্তি পরবর্তীতে সংসদ কর্তৃপক্ষ/মন্ত্রিপরিষদ থেকে পাশ করিয়ে নিতে হয়। চুক্তি সংসদ/মন্ত্রিপরিষদ কর্তৃক পাশ করাকে অনুসমর্থন বা Ratification বলে।

 

করিডোর: রাষ্ট্রের মূল ভূ-খন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন ছিট মহলে গমনের জন্য এক দেশ আরেক দেশকে যে সংকীর্ণ রাসত্মা ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করে তাকে করিডোর বলে। যেমন- তিন বিঘা করিডোর।

* সার্ক ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। সার্কের প্রতিষ্ঠার উদ্যোক্তা- জিয়াউর রহমান (১৯৮০)

* সার্ক গণতন্ত্র সনদের প্রসত্মাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত ১৬-তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে এ প্রসত্মাব দেন।

* এ পর্যমত্ম চার বার পাক-ভারত যুদ্ধ হয়।

প্রথম পাক-ভারত যু্দ্ধ ২১ অক্টোবর ১৯৪৭ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ১৯৪৮ পর্যমত্ম। যুদ্ধের কারণ পাকিসত্মান কর্তৃক ভারত

অধিকৃত কাশ্মীর দখলের প্রচেষ্টা।

দ্বিতীয় পাক-ভারত যুদ্ধ ১৯৬৫ সালে। তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধ সমাপ্ত হয়।

তৃতীয় পাক-ভারত যুদ্ধ ৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সাল।

চতুর্থ পাক-ভারত যুদ্ধ মে-জুলাই ১৯৯৯ সালে যা কারগিল যুদ্ধ নামে পরিচিত। যুদ্ধের কারণ কাশ্মীর নিয়ন্ত্রণ।

 

* তিনটি দেশ আলাদা ছিল, বর্তমানে এক। দেশ তিনটি হল-চীন, হংকং এবং তাইওয়ান।

* BRICS হচ্ছে Brasil, Russia, India, China South Africa এই পাঁচটি দেশের আদ্যক্ষর নিয়ে গঠিত আমত্মজার্তিক সংগঠন

* ন্যাম এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা-১২০। সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র-ফিজি ও আজারবাইজান।

* মিশরের কায়রোয় ৪ মে, ২০১১ সালে ফিলিসিত্মনের হামাস ও ফাতাহ এর মধ্যে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

* বাংলাদেশ-ভারত গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ৩০ বছরের জন্য স্বাক্ষরিত হয়।

* দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালের ৯ জুলাই সুদানের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

* Tuesday Group হল বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশী কূটনীতিকদের একটি Group.

* ২০১১ সালের ১৪ জুলাই দক্ষিণ সুদান জাতি সংঘের ১৯৩-তম সদস্যপদ লাভ করে। বাংলাদেশ ২০১১ সালের ২০ জুলাই দক্ষিণ সুদানকে স্বীকৃতি দেয়।

* দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়ার শক্তিশালী বাহিনী ছিল Red Army, যারা জার্মানীকে মারাত্মকভাবে পযুর্দসত্ম করে।

* আকসু হল ICC-এর দুর্নীতি দমন ইউনিটের নাম। ACSU-এর পূর্ণরূপ হল-Anti Corruption & Security Unit. এটি ২০০০ সালে গঠিত হয়।

* জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা দুটি-ভ্যাটিকান সিটি এবং ফিলিসিত্মন।

* NAM (Non Aligned Movement)-এর প্রতিষ্ঠাতাগণ হলেন-ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরম্ন, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট ড. আহমেদ সুকর্ন, মিশরের প্রেসিডেন্ট জামাল আবদেল নাসের, তৎকালীন যুগোসেস্নাভিয়ার প্রেসিডেন্ট মার্শাল জোসেফ টিটো এবং ঘানার প্রেসিডেন্ট নক্রুমা।

* জাতিসংঘে বাংলাদেশ কর্তৃক প্রদত্ত চাঁদার পরিমাণ ০.০০১ শতাংশ।

* জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠন ৬টি।

* ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও কমনওয়েলথ এ যোগ দেয়নি-মিশর, ইরাক, মায়ানমার, ফ্রান্স, জর্ডান, প্যালেস্টাইন, সুদান,

এডেন এবং ক্যামেরম্নন।

* আফগানিসত্মান ৩ এপ্রিল, ২০০৭ সালে অষ্টম দেশ হিসেবে সার্কের সদস্যপদ লাভ করে।

* ২০১৮ সালে ২১-তম কমনওয়েলথ সম্মেলন গোল্ডকোষ্ট-অষ্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে।

* বাংলাদেশের রাজশাহী সীমামত্মহতে ১৬.৫ কি. মি. উত্তরে গঙ্গা নদীর উপর নির্মিত ফারাক্কা বাঁধ পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ

জেলার জঙ্গীপুর গ্রামে অবস্থিত। এর দৈর্ঘ্য-২,২৪৫ মিটার।

* Versailles summit is the first international diplomatic summit.

* CBA stands for Collective Bargaining Agent.

* দক্ষিণ এশিয়ার দুটি দেশে সেনাবাহিনী নেই। দেশ দুটি হচ্ছে-মালদ্বীপ ও ভূটান।

* Super Seven: মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান, হংকং, দক্ষিণ কোরিয়া।

* গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল: মায়ানমার, লাওস ও থাইল্যান্ড সীমামেত্ম অবস্থিত আফিম উৎপাদনকারী অঞ্চল।

* গোল্ডেন ক্রিসেন্ট: আফগানিসত্মান, পাকিসত্মান ও ইরান সীমামেত্ম অবস্থিত আফিম উৎপাদনকারী অঞ্চল।

* গোল্ডেন ওয়েজ: নেপাল, বাংলাদেশ ও ভারত সীমামত্ম যা চোরাচালান বা মাদক পাচারের জন্য কুখ্যাত।

* গোল্ডেন ভিলেজ: কুষ্টিয়া জেলার ২৬টি গ্রামকে গাঁজা উৎপাদনের জন্য একত্রে গোল্ডেন ভিলেজ বলে।

* বিশ্বের অধিক সীমামত্ম বেষ্টিত রাষ্ট্র চীন ও রাশিয়া (উভয়েরই ১৪টি দেশের সাতে সীমামত্ম রয়েছে)

* পৃথিবীর ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র-ইতালি (কোন রাষ্ট্রের মাধ্যে অপর কোন রাষ্ট্রের অবস্থান হলে তাকে ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র বলে। যেমন-

ইতালির মধ্যে ভ্যাটিকান সিটির অবস্থান। এখানে ইতালি হচ্ছে ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র।)

* বাংলাদেশের সীমাসত্মবর্তী ভারতের জেলা পাঁচটি। যথা-পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়, আসাম, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম।

* দেশের মোট সীমামত্ম দৈর্ঘ্য ৫১৩৮ কি.মি. এর মধ্যে ভারতের সাথে সীমামত্ম দৈর্ঘ্য ৪১৪৪ কি.মি. সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১

কি.মি. এবং মায়ানমারের সাথে সীমামত্ম দৈর্ঘ্য ২৮৩ কি.মি.

* Scandivian Countries are Sweden, Norway, Denmark and Finland.

* In comparison politics with diplomacy German Ex Chancellor Bismarck says “Politics is

the art of possible and diplomacy is making impossible possible.

* The present route of Bangladesh Biman to New York is Dhaka-London-New York.

* Demilitarization means the process of removing military forces from an area.

* Imperialism is the system in which one country controls other countries after defeating

them in a war.

 

শেনজেন চুক্তি শেনজেন চুক্তি হলো ইউরোপীয় দেশগুলোতে জল-স্থল ও আকাশপথে এক ভিসায় কিংবা ভিসা ব্যতীত জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে ইউরোপ ভ্রমণ করার একটি চুক্তি। ১৯৮৫ সালের ১৪ জুন লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এডওয়ার্ড স্লোডেন: এডওয়ার্ড স্লোডেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা CIA এর সাবেক কর্মী। তিনি মার্কিন সরকারের গোপন নজরদারি কর্মসূচি ফাঁস করে দেন।

 

গেস্নাবাল জিরো জিরো: আগামী ২৫ বছরের মধ্যে বিশ্বকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করে গড়ে তোলার প্রকল্প হচ্ছে গেস্নাবাল জিরো জিরো।

 

BISS: BISS stands for Bangladesh Institute of International and Strategic Studies. It is one of the maiden research institutes under foreign ministry.

 

নো ম্যানস ল্যান্ড: শাব্দিক অর্থে যে পতিত অঞ্চলের উপর কারো ন্যায্য দাবি থাকে না কিংবা যে স্থানের অধিকার নিয়ে যুদ্ধবিরোধী দুটি দেশের মধ্যে বিবাদ আছে সেই মধ্যবর্তী স্থানকে নো ম্যানস ল্যান্ড বলে। কিন্তু ব্যবহারিক অর্থে দুটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সীমানা নির্ধারিত অংশই হলো নো ম্যানস ল্যান্ড।

 

পশ্চিম তীর: পশ্চিম তীর জর্ডান নদীর তীরে অবস্থিত একটি পার্বত্য সমভূমি অঞ্চল। ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল এ অঞ্চলটি দখল করেছিল। বর্তমানে ইসরাইল এ এলাকায় অবস্থিত জেরিকো শহরটিকে ফিলিসিত্মন কর্তৃপক্ষের নিকট হসত্মামত্মর করে।

 

দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা সংলাপ: দক্ষিণের উন্নয়নশীল দেশগুলোর পারস্পরিক আমত্ম:বাণিজ্য বৃদ্ধিমূলক কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে দক্ষিণ-দক্ষিণ সংলাপ বলে।

 

Recognition: কোন সার্বভৌম রাষ্ট্র কর্তৃক অন্য কোন নতুন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে মেনে নেওয়ার ঘোষণাকে স্বীকৃতি বা Recognition বলে। যেমন-ভারত ১৯৭১ সালের ৬ আগস্ট বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

 

Cold war: Cold war means a very unfriendly relationship between two countries who are not actually fighting each other.

 

G-8: G-8 means Group 8. Its previous name was Group-7. It was established on September 22, 1985. It consists of eight countries, there are US, UK, Canada, France, Italy, Germany, Japan and Russia. The objective of the grour is to promote mutual economic co-operation.

 

Charge d’ Affairs: Charge d’ affairs is an officer of the diplomatic mission who runs the office of the ambassador in his absence. Sometimes in less important country Charge d’ Affaires appointed instead of an ambassador permanently as head of the mission.

 

Extradition: Extradition is the official agreement between two countries to exchange criminals. Bangladesh has extradition agreements with Thailand.

 

Migration & Immigration: Migration means to settle from one country to another country. By the same time, Immigration is the process of coming to live permanently in a country that is not his own.

 

Geneva Conventions: Geneva Conventions are the international conventions for the protection of victims of war, which was held in Geneva from April 21 to August 12, 1949.

 

West Indies: West Indies is not any country. It is mixed of some Islands like Bahamas, Cuba, Granada, Trinidad etc

 

Diplomatic Immunity: Diplomatic immunity means special rights are given to diplomats working in a foreign country. They cannot be arrested, taxed etc in the country.

 

Qualities of a diplomat: An ideal diplomat should have some specific qualification. These are good tempered, patience, modesty, loyalty to his own sovereign government, calmness, revision, vast knowledge on various international issues, prompt, prudent, smart & skill in multilinguistics, etc.

 

Function of a diplomat: A diplomat represents his own country before the host country. He/She performs all sorts of activities on behalf of his government. The main functions of a diplomat are-to augment relationship between his own country and the host country, to protect the interest of his own country in the receiving country, to negotiate with the host country on different concerned issues, to prepare programme schedule for visiting head of the state, head of the government and other high level dignitaries to the host country in the host country to enhance explore to the host state and to explore new markets in the receiving.

 

New Conservative think Tank: New Conservative think Tank is a powerful policy making group of the USA. The objective of this group is to strengthen and consolidate the positition of the USA in the new millennium. This group consists of Dick Cheny, Paul Wolfwitz, Donald Rumsfeld, Zef Bush and Lui Leby.

 

Buffer State: A buffer state is one which is situated between two conflicting countries. It can play a vital role to relax the tension.

 

Diplomatic Illness: Diplomatic Illness is the pretext used by an ambassador or a diplomat to remain absent from a meeting. He/She does not like to be present in. He/She shows this false illness to avoid criticism.

 

বিমসটেক সচিবালয়: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ সালে বঙ্গোপসাগরীয় আঞ্চলিক জোট বিমসটেক সচিবালয় ঢাকায় যাত্রা শুরম্ন করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটি উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে কোন আঞ্চলিক জোটের প্রধান কার্যালয় বাংলাদেশে যাত্রা শুরম্ন করল। বিমসটেক (বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি সেক্টোরাল কো-অপারেশন) এর সদস্য রাষ্ট্র হলো-বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান।

 

Consul: ভিন্ন রাষ্ট্রে বা ভিন্ন রাষ্ট্রের কোন প্রদেশে বা অঞ্চলে অবস্থানকারী স্বদেশের নাগরিকদের স্বার্থরক্ষা এবং সেখানে ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন সাধনের জন্য নিযুক্ত কর্মকর্তাকেই Consul বলে। পদমর্যাদার দিক থেকে রাষ্ট্রদূতের পরেই কনসালের স্থান।

 

Consortium: কোন জটিল প্রকল্প বা একটিমাত্র প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বাসত্মবায়ন করা দূরূহ, এমন প্রকল্প বাসত্মবায়ন করার উদ্দেশ্যে একাধিক প্রতিষ্ঠান গ্রম্নপবদ্ধ হয়ে কাজ করলে এরূপ গ্রম্নপকে Consortium বলে। বৃহৎ কোন প্রকল্প বা কর্মসূচি বাসত্মবায়ন করতে কতিপয় রাষ্ট্র নিয়েও গঠিত হতে Consortium পারে।

 

UN Charter বা জাতিসংঘ সনদ: জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয় ২৬ জুন, ১৯৪৫ সালে সানফ্রান্সিকো সম্মেলনে উপস্থিত ৫০টি দেশের প্রতিনিধিদের স্বাক্ষরের মাধ্যমে। ৫১তম দেশ হিসেবে পোল্যান্ড সনদে স্বাক্ষর করে ১৫ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে। সনদ কার্যকরী হয় ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে। সনদে স্বাক্ষরকারী সকল দেশ এ সনদ মেনে চলতে বাধ্য। সনদ অনুযায়ী ৫টি দেশকে নিরাপত্তা পরিষদের  স্থায়ী পদ দেয়া হয়।

 

বিগত ১০ম বিসিএস থেকে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় আসা গুরুত্বপূর্ণ টীকা

 

আধিপাত্যবাদ: এক রাষ্ট্র অন্য বা অন্যান্য রাষ্ট্রের উপর নিজের আধিপাত্য চাপিয়ে দিতে চায় অর্থাৎ অন্যান্য রাষ্ট্রেয় সার্বভৌমত্বকে নস্যাৎ বা খ–ত করে সেসব রাষ্ট্রের সরকার, প্রশাসন, অর্থনীতি, সমাজ ইত্যাদির উপর নিজের প্রাধান্য বা মাতববরি চাপিয়ে দিতে চায়, তখন প্রথম রাষ্ট্রের এরূপ প্রবণতাকে আধিপাত্যবাদ বলে। সাধারণত কোনো রাষ্ট্রের অর্থনীতি, সামরিক, রাজনৈতিক, ভৌগলিক বা অন্য কোনো দুর্বলতার সুযোগ নিয়েই অপর রাষ্ট্র ঐ রাষ্ট্রের উপর তার আধিপাত্য চাপিয়ে দেয়ার প্রয়াস পায়।

 

 

অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি: পরিভাষাটি ল্যাটিন ভাষা হতে গৃহীত। এর ভাষাগত অর্থ অবাঞ্ছিত ব্যক্তি বা প্রবেশাধিকার লাভের যোগ্য নয় এমন ব্যক্তি। এ বাক্যটি বিশেষত কূটনৈতিক কর্মচারীদের প্রতি প্রয়োগ করা হয়। সাধারণত কোনো কূটনৈতিক কর্মচারী যে দেশে নিযুক্ত হন, তিনি যদি সে দেশের সরকারের নিকট গ্রহণযোগ্য না হন তখন তাকে অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি বলা হয়। ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপেস্নাম্যাটিক রিলেশন (১৯৬১, আর্টিকেল ৯) অনুসারে স্বাগতিক দেশ প্রেরণকারী দেশের যে কোনো কূটনীতিককে কারণ না দেখিয়েই অবাঞ্ছিত ঘোষণা করতে পারে।

 

ডিফেক্টো স্বীকৃতি: ডিফেক্টো স্বীকৃতি হল আমত্মর্জাতিক দায়িত্বপালনে পূর্ণ সক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও কোনো রাষ্ট্র বা সরকারকে কার্যত স্বাধীন এবং নিজ এলাকার উপর কর্তৃত্বশীল বলে স্বীকার করে নেয়া। বৃটিশ মতে, এরূপ স্বীকৃতির পরিপ্রেক্ষিতে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা যায় না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য এরূপ ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে নমনীয় মনোভাব পোষণ করে থাকে।

 

আর্থ আওয়ার: বৈশ্বিক উষ্ণতা সম্পর্কে সচেতনতা

বাড়ানোর লক্ষ্যে জলবায়ু পরিবর্তন রোধে বিশ্ব বাঁচানোর প্রতীকী উদ্যোগের নাম ‘আর্থ আওয়ার’। এর আওতায় বছরের একটি নির্দিষ্ট দিনে প্রতিটি দেশের স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যমত্ম বাতি নিভিয়ে রাখার আহবান জানায় ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর নেচার বা WWF। এক ঘন্টার এ বাতি নেভানো প্রতীকী কার্যক্রম প্রথম শুরম্ন হয় ২০০৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে। এরপর এটিকে বৈশ্বিক রূপ দেয়া হয়। ২০১০ সালে আর্থ আওয়ারে অংশ নেয় ১২৬ দেশ ও এলাকা। এর প্রতিষ্ঠাতা অ্যান্ডি রিডলে ও চার্লস স্টিভেনস।

 

বয়কট: কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী, কর্তৃপক্ষ বা দেশের সাথে সমবেতভাবে সর্বপ্রকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন বা বর্জন করাকেই বয়কট (Boycott)  বলে। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে ‘বয়কট’ শব্দটির প্রচলন শুরম্ন হয়। ১৮৮০ সালে সমগ্র আয়ারল্যান্ড জুড়ে ত্রি-এফ আন্দোলন (জমির উপর প্রজার স্বত্ব নির্ধারণ, প্রজার জমি বিক্রির অবাধ অধিকার এবং ইচ্ছামতো খাজনা বৃদ্ধির বদলে ন্যায়সঙ্গত হারে জমির খাজনা স্থিরকরণ) শুরম্ন হলে ‘আইরিশ ল্যান্ড লীগ’ নামে একটি সংগঠন গঠিত হয়; যারা সিদ্ধামত্ম নেয় যে, যেসব জমিদার বা কর্মকর্তা এই থ্রি-এফ দাবি অস্বীকার করবে তাদেরকে সমবেতভাবে বর্জন বা একঘরে করা হবে। আন্দোলনের এক পর্যায়ে জমিদারপক্ষ বয়কট এলাকা থেকে চলে যেতে বাধ্য হয়। সেই থেকে ‘বয়কট’ শব্দটি একঘরে করা বা সমবেত বর্জন অর্থে বিশ্বব্যাপী প্রচলিত রয়েছে। বর্তমানে শব্দটি দেশ, বস্ত্ত, গোষ্ঠী ইত্যাদি অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহারে বিশ্বজনীনতা লাভ করেছে।

 

এইড মেমোয়ার (স্মারকপত্র): এইড মেমোয়ার (স্মারকপত্র) হল কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর কোন সরকারের মনোভাবের উপর লিখিত বিবৃতি যা কোন কূটনীতিক কর্তৃক স্বাগতিক দেশের কোন কর্মকর্তার সাথে সদ্য অনুষ্ঠিত আলোচনায় তোলা হয়েছে। এটি এক ধরণের কূটনৈতিক দলিল যার মধ্যে পূর্বে অনুষ্ঠিত কোন আনুষ্ঠানিক বৈঠকে সংশিস্নষ্ট দেশের কূটনীতিক কর্তৃক উত্থাপিত মূল বিষয়গুলোর সার সংক্ষেপ থাকে যা আলোচনার সময় বা আলোচনার সমাপ্তিতে কোন একসময় প্রতিপক্ষের নিটক হসত্মত্মামত্মর করা হয়। এ ধরণের পত্রে কোনো সম্ভাষণ বা ঠিকানা থাকে না বা দূতাবাসের সীল বা স্বাক্ষর থাকে না কিন্তু সাধারণ তারিখ উলেস্নখ থাকে। অন্য দিকে চিরায়ত এইড মেমোয়ার (Classic Aid Memoire) এর শুধু টাইটেল  এবং সমাপ্তিতে একটি স্বাক্ষর থাকে। এ ধরণের পত্রের উদ্দেশ্য থাকে সংশিস্নষ্ট বিষয়ে সরকারের অবস্থানকে সুনিশ্চিত করা যেমন-যদি কোনো গুরম্নত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনায় ভুলক্রমে বাদ পড়ে যাওয়া, কোন বিষয়ে অনাহুত বিভ্রামিত্ম সৃষ্টি অথবা কোন বিষয়ের প্রতি কম বা বেশি গুরম্নত্ব দেয়ার ফলে মূল বিষয় থেকে বিচ্যুৎ হওয়ার আশঙ্কা ইত্যাদি অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যার উদ্দেশ্য থাকে তার সরকারের নীতির ব্যাপারে কোন রকম দ্ব্যর্থতার অবকাশ না দেওয়া।

 

তেত্-আ-তেত্ (Tete-a-Tete)

কূটনৈতিক আলোচনায় দুপক্ষের মধ্যে বিশেষত দু’দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে আলোচনা শুরম্ন করার পূর্বে দু’দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে যে একামত্ম ও নিবিড় আলাপ অনুষ্ঠিত হয় তাকে তেত্-আ-তেত্ বলে।

 

ওয়েস্ট ইন্ডিজ: মেক্সিকো উপসাগরে অবস্থিত প্রায় ৩২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ বিভিন্ন স্বাধীন ও পরাধীন দ্বীপের সমন্বিত রূপ হল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কলম্বাস ভারতবর্ষ  আবিষ্কারের প্রচেষ্টায় পশ্চিমদিকে ক্রমাগত জাহাজ চালিয়ে এ অঞ্চলে এসে ভুলক্রমে প্রাপ্ত দ্বীপগুলোকে ভারতের দ্বীপ মনে করে ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজ’ নামকরণ করেন।

 

বাফার স্টেট: বিবাদমান দুটো বৃহৎ রাষ্ট্রের মধ্যে সংঘর্ষ বা সংঘাত এড়ানোর জন্য দুই রাষ্ট্রের মাঝখানে যে ক্ষুদ্র রাষ্ট্র সৃষ্টি করা হয় বা বজায় রাখা হয় এবং যা অসিত্মত্বশীল, সেই রাষ্ট্রকেই বলা হয় বাফার স্টেট’। একসময় পোল্যান্ডকে জার্মানীর ও তদানীমত্মন সোভিয়েত ইউনিয়নের বিবাদকালীন সময় বাফার স্টেট ভাবা হতো।

 

ফিফথ কলাম বা পঞ্চম বাহিনী: দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকা– লিপ্ত ব্যক্তিদের পঞ্চম বাহিনী বলা হয়। স্পেনের গৃহযুদ্ধের সময় জেনারেল ফ্রাংকো রিপাবলিকানদের আক্রমণ করার সময় বিপক্ষ দলের পেছনে যে দলটি ছিল তাকে বলা হতো পঞ্চম বাহিনী। এরা রিপাবলিকানদের সাথে মিশে ধ্বংসাত্মক কাজ করত। আর তখন থেকেই দেশের স্বার্থবিরোধীদের ফিফথ কলাম বা পঞ্চম বাহিনী বলা হয়।

 

ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র: ভৌগলিক পরিসরে যেসব রাষ্ট্রের মাঝে অন্য কোনো রাষ্ট্রের অংশবিশেষ বা পুরো একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অবস্থান রয়েছে সেসব রাষ্ট্রকে ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ ইতালির কথা উলেস্নখ করা যায়। ইতালির অভ্যমত্মরে স্যানম্যারিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি নামক দুটি সার্বভৌম রাষ্ট্র অবস্থিত।

 

বিশ্বায়ন: বিশ্বায়ন মূলত একটি সর্বব্যাপী ও সার্বক্ষণিক চলমান প্রক্রিয়া। বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি ও জ্ঞানবিজ্ঞানের ব্যাপক প্রসারের ফরে পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি মানুষই একটি একীভূত বিশ্বব্যবস্থায় মিলিত হচ্ছে, যা বিশ্বায়নের ধারণাকে আরো জোরালো করে তুলছে। বিশ্বায়ন ধারণাকে অভিহিত করা হয়েছে এমন একটি প্রক্রিয়া হিসাবে, যা রাষ্ট্র ও সম্প্রদায়ের পুরনো কাঠামো ও সীমাকে অবলুপ্ত করছে। এটি এমন একটি সর্বব্যাপী অভিজ্ঞতা যে আমাদের জীবনের অধিকাংশ দিকই এর আওতাভুক্ত হয়ে পড়েছে। বর্তমানে বিশ্বায়নকে অনেকে বি-আঞ্চলিকীকরণ (Delocalisation) প্রক্রিয়া বলে অভিহিত করেন।

 

ম্যাগনা কার্টা: ম্যাগনা কার্টা হলো ইংল্যান্ডের মানবাধিকার সংক্রামত্ম দলিল। ১২১৫ সালে ইংল্যান্ডের রাজা জন দেশবাসীর বিক্ষোভের মুখে এত স্বাক্ষর করেন এং এ দলিল মেনে চলবেন বলে শপথ নেন।

 

থিঙ্ক ট্যাংক: চিমত্মাকেন্দ্র বা চিমত্মাশীলদের পরিষদ হচ্ছে থিঙ্ক ট্যাংক। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশেষত ইউরোপ এবং আমেরিকায় দেখা যায় যে, সেখানকার অর্থনীতিবিদ, রাষ্ট্রনীতিবিদ, সমাজবিদ ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের এমন আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক ফোরাম বা পরিষদ থাকে, যেখানে তারা দেশের গুরম্নত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে গবেষণা, আলাপ-আলোচনা ও চিমত্মা-ভাবনা করেন এবং সংশিস্নষ্ট বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ বা প্রসত্মাব দেন।

 

ভিডিও কনফারেন্সিং: ভিডিও কনফারেন্সিং ব্যবস্থায় বিভিন্ন স্থানে অবস্থানকারী অংশগ্রহণকারীরা টেলিভিশনের পর্দায় পরস্পরের সম্মুখীন হয়ে একে অন্যকে দেখে কথোপকথনে অংশগ্রহণ করেন। এটি একটি আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা।

 

নব্য ঔপনিবেশিকতাবাদ (Neo-colonialism): প্রাক্তন ঐপনিবেশিক শক্তিসমূহ কর্তৃক স্বাধীনতাপ্রাপ্ত দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর প্রভার বিসত্মারের প্রচেষ্টার নাম হলো নব্য ঔপনিবেশিকতাবাদ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বের ঔপনিবেশিক শক্তিগুলো চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। এক এক করে তাদের ঔপনিবেশি রাষ্ট্রগুলো স্বাধীনতা লাভ করতে থাকে। অত:পর তারা তাদের হারানো উপনিবেশগুলোর উপর নানা কলাকৌশল প্রয়োগ করে নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রাখার প্রয়াস পায়। নব্য ঔপনিবেশকতার ফলে আফ্রিকার বহু দেশে পশ্চিম ইউরোপীয় দেশসমূহের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সামরিক প্রধান্যের স্থলে অর্থনৈতিক প্রাধান্য বজায় থাকে। তাছড়া সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আফগানিসত্মান ও ইরাক দখল নব্য ঔপনিবেশকতার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

 

First-Track Diplomacy: দুই বা ততোধিক রাষ্ট্রের মধ্যে দ্বি-পাক্ষিক অথবা বহুপাক্ষিক সমস্যা দেখা দিলে তা সমাধানের লক্ষ্যে সংশিস্নষ্ট দেশগুলোর পেশাদার কূটনীতিকরা প্রধান ভূমিকা পালন করেন। এই পেশাদার কূটনীতিকদের উদ্যোগকে বলা হয় First-Track Diplomacy.

 

Second-Track Diplomacy: বিবদমান দেশের দ্বি-পাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক সমস্যা সমাধানে যখন পেশাদার কূটনীতিকগণ ব্যর্থ হন, তখন সেই সমস্যা সমাধানে সংশিস্নষ্ট দেশসমূহের সিভিল সোসাইটি যে উদ্যোগ গ্রহণ করে তাই Second-Track Diplomacy

 

Third-Track Diplomacy: বিবদমান রাষ্ট্রসমুহের মধ্যে আস্থা সৃষ্টির লক্ষ্যে দাতা গোষ্ঠী যেমন-বিশ্বব্যাংক, জাইকা, এডিবি ইত্যাদি সংস্থা পদক্ষেপ গ্রহণ করলে তাকে Third-Track Diplomacy বলে।

 

Two Track Diplomacy: বিবদমান রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে দ্বি-পাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক সমস্যা সমাধে যখন একই সাথে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় তখন তাকে Two Track Diplomacy বলে।

 

Sub Track Diplomacy: একটি সার্বভৌম দেশ এবং সার্বভৌম নয় এমন দুটি সত্তার মধ্যে যে কূটনৈতিক সম্পর্ক তাকে Sub Track Diplomacy বলে।

 

Quite Diplomacy: কখনো কখনো কূটনৈতিক বিষয়ের মধ্যে কিছু সংবেদনশীল বিষয় থাকে যা প্রকাশ্যে আলোচনা কালে প্রতিক্রিয়া হতে পারে। এমন বিষয়ে ভেতরে  ভেতরে আলোচনার মাধ্যমে অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে অগ্রসর হওয়ার প্রক্রিয়াকে Quiet Diplomacy বলে।

 

Mega Phone Diplomacy: ৮০ দশকের প্রথম দিকে USSR, USA এবং UK এর মধ্যে প্রকাশ্য যোগাযোগের ক্ষেত্রে যে বিশেষ ধরনের ফোন ব্যবহার করে কূটনৈতিক সমস্যার সমাধানে প্রয়াস চালানো হত তাকে Mega Phone diplomacy বলে।

 

Machiavellian Diplomacy: জাতীয় লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে প্রতারণামূলক ও ষড়যন্ত্রমূলক পদ্ধতির আশ্রয় গ্রহণ করার প্রক্রিয়াকে Machiavellian Diplomacy বলে। ম্যাকিয়াভেলী তার বিখ্যাত “The Prince” বইতে বলেছেন ‘‘রাজনৈতিক ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য এবং বিজয়ী হতে অসৎ পন্থা অবলম্বন করা বৈধ।’’

 

Personal Diplomacy: কূটনীতিক নয় এমনকি আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নন এমন ব্যক্তি কর্তৃক কূটনৈতিক কর্মকা- পরিচালনা করার প্রক্রিয়াকে Personal Diplomacy বলে।

 

Trigular Diplomacy: যখন ৩টি শক্তির মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে তখন তাকে Trigular Diplomacy বলে। মূলত প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিকে চাপে ফেলার জন্য এধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

Step by Step Diplomacy: চরম বৈরী শাক্তিসমুহ তাদের পারস্পরিক সমস্যা নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে প্রাথমিক চুক্তি বা ঐক্যমত পোষণ করে। পরে আসেত্ম আসেত্ম জটিল ও সংবেদনশীল বিষয় বিবেচনার কৌশল গ্রহণ করাকে Step by Step Diplomacy বলে।

 

Shuttle Diplomacy: যখন নির্দিষ্ট দুটি স্থানের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা পরিচালিত হয় তখন তাকে Shuttle Diplomacy বলে।

 

Tit for Tat Expultion: প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে একে অন্যের কূটনীতিক বহিস্কার করার প্রক্রিয়াকে Tit for Tat Expultion বলে। সাধারণত গ্রাহক দেশের  অভ্যমত্মরীণ বিষয়ে গোয়েন্দাবৃত্তি অথবা অবাঞ্চিত হসত্মক্ষেপ করলে এক বা একাধিক কূটনীতিক বহিস্কার করতে পারে। তখন অপর দেশটি পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে সমসংখ্যক অথবা তার চেয়ে বেশি কূটনীতিক বহিস্কার করতে পারে। প্রথম যে দেশটি বহিস্কার করে সে দেশটিকে বহিস্কারের কারণ উলেস্নখ করতে হয়।

 

Goodwill Ambassador: জাতিসংঘ মহাসচিব আমত্মর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ব্যক্তিত্বদের মধ্য থেকে কাউকে কাউকে বিশ্বের কোন অংশের বা বিশেষ কোন গোষ্ঠীর কার্যাবলী তদারকী করার জন্য নিযুক্ত করে থাকেন। এরূপ নিযুক্ত ব্যক্তিদের Goodwill Ambassador বলে।

 

সানশাইন পলিসি: দক্ষিণ কোরিয়া কর্তৃক প্রতিবেশী উত্তর কোরিয়ার সাথে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠার নীতিকে ‘সানশাইন পলিসি’ বলা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং এ নীতির প্রবক্তা। তিনি তার পূর্ববর্তী শাসকদের চেয়ে উত্তর কোরিয়ার প্রতি বেশি সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেন। কিম দায়ে জং-এর এই পলিসির ফলে শত্রম্নভাবাপন্ন দুটি দেশের মধ্যে সম্পর্কের বরফ গলতে শুরম্ন করে। এরই ফলশ্রম্নতিতে ২০০১ সালের ১৩ জুন দুই দেশের প্রেসিডেন্টের মধ্যে শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

 

ফেডারেল রাষ্ট্র: ফেডারেল রাষ্ট্র হলো কতিপয় স্বকীয়তাসম্পন্ন রাষ্ট্রের বা রাজ্যের ইউনিয়ন। ফেডারেল সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনা সংক্রামত্ম যাবতীয় কাঠামো বিদ্যমান থাকে এবং ফেডারেল সরকারের সিদ্ধামত্মসমূহ অঙ্গরাজ্যসমূহ ও তাদের নাগরিকদের উপর প্রযোজ্য হয়।

 

ব্যক্তিত্ব: ব্যক্তিত্ব বলতে বোঝানো হয় ব্যক্তির সেই বৈশিষ্ট্য যা তাকে অন্য ব্যক্তি থেকে পৃথক বা স্বতন্ত্র করে। অর্থাৎ ব্যক্তিত্ব হল সেই বৈশিষ্ট্য যা একই ধরনের বুদ্ধি ও জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিকে এইক অবস্থায় স্বতন্ত্র ধরনের প্রতিক্রিয়া করায়।

 

লবিং: নীতিনির্ধারকদের প্রভাবিত করার মাধ্যমে সমাজের প্রামিত্মক সত্মরের সাথে বাসত্মবায়নকারী বা সিদ্ধামত্ম গ্রহণকারীদের যোগাযোগ ঘটিয়ে দও কষাকষির ক্ষেত্র তৈরি করাই হল লবিং। লবিং অ্যাডভোকেসি কার্যক্রমকে জোরদার করতে সহায়ক উপাদান হিবেবে কাজ করে। আমত্মর্জাতিক ক্ষেত্রেও দরকয়াকষির মাধ্যমে দেশের স্বার্থ রক্ষার জন্য এ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।


 

Leave a Comment