Viva (BCS- Customs & Taxation)

বিসিএস Customs Taxation

 

* বাংলাদেশের অর্থনীতি মিশ্র প্রকৃতির।

মিশ্র অর্থনীতি
যে অর্থব্যবস্থায় বেসরকারি উদ্যোগ ও সরকারি উদ্যোগ পাশাপাশি অবস্থান করে, তাকে মিশ্র অর্থনীতি বলে। মিশ্র অর্থনীতি মূলত ধনতান্ত্রিক অর্থনীতি ও সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির সংমিশ্রণ। এ অর্থনীতিতে ধনতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক উভয় অর্থনীতির কিছু কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ধনতান্ত্রিক অর্থনীতি বা সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি যে অর্থনীতির কথাই বলি না কেন কোনো অর্থনীতিই ত্রুটিমুক্ত নয়। তাই অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানে অনেক দেশই মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। মিশ্র অর্থনীতিতে বেসরকারি খাতের ওপর কতগুলো কাজ ছেড়ে দেওয়া হয়। আবার অনেক খাতের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হয়। বাংলাদেশে মিশ্র অর্থনীতি বিরাজমান।

* অর্থ মন্ত্রণালয়ে বিভাগ চারটি-

১. অর্থ বিভাগ,

২. অভ্যন্তরীণ  সম্পদ বিভাগ,

৩. অর্থনৈতিক বিভাগ এবং

৪. ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

 

* রাজস্ব আয়ের প্রধান উংস হচ্ছে-কর

* Comtroller and Auditor General-এর পদবি হচ্ছে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের যাকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।

* মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল গড়ে তোলা হয় বিদেশী মূলধন ও বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য।

* করমুক্ত একটি পুরস্কারের নাম হচ্ছে-প্রাইজবন্ডের পুরস্কার।

* ফি এর একটি উদাহরণ হচ্ছে-টিভির লাইসেন্স ফি।

* কোম্পানির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ করের হার-৩০% ও ৪৫%। কর বিভাগ অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন।

* বাংলাদেশে বর্তমানে পাঁচ স্তরবিশিষ্ট আয়কর বিধান আছে।

* VAT (Value Added Tax) দিবস হচ্ছে-১০ জুলাই এবং জাতীয় মুসক (মূল্য সংযোজন কর) সপ্তাহ হচ্ছে ১০-১৬ জুলাই।

* সংশোধিত বাজেট হল প্রাক্কলিত বাজেটের সাথে আরো বরাদ্দ দিয়ে নতুন বাজেট দেয়া।

* কর ন্যায়পাল বিলুপ্ত হয় ২০১১ সালের ২১ জুন। সর্বশেষ কর ন্যায়পাল ছিলেন জনাব খায়রুজ্জামান।

* বাংলাদেশ সাধারণত চারটি মাধ্যম থেকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে থাকে। যথা-

১) রেমিটেন্স

২) বৈদেশিক বাণিজ্য

৩) বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান এবং

৪) জাতিসংঘ মিশন।

 

* ২৬ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক  শুল্ক দিবস।

* কাস্টমস ক্যাডার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অন্তর্গত।

* Duty হচ্ছে নির্ধারিত পণ্যের উপর ধার্যকৃত শুল্ক।

* কাস্টমস শুল্ক হলো সর্বাধিক প্রচলিত এবং পরিচিত আমদানি শুল্ক। এটি এক ধরনের পরোক্ষ কর।

 

International Company: এক তৃতীয়াংশের উৎপাদন দেশের বাইরে হলে অর্থাৎ দুই তৃতীয়াংশের উৎপাদন দেশের ভিতরে হলে তাকে International Company বলে।

 

Multinational/Transnational Company

দুই তৃতীয়াংশ বা তার বেশি Source Company (কোম্পানিটি যে দেশে অবস্থিত) এর বাইরে তথা অন্যান্য দেশে উৎপাদিত হলে তাকে Multinational/Transnational Company বলে।

 

Global Company যখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের  অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যবসায় সংগঠন পরিচালিত হয় তখন তাকে Global Company বলে।

 

M1 : Currency outsides from the Banks + Demand deposits with the deposit money Banks

(DMB).

M2: M1 + Time deposits with the DMBs

GDP deflator: Nominal GDP (current price) devided by Real GDP (base year price)

Repo Rate: When Central Bank lends funds to commercial Banks then it is called Repo Rate.

Reverse Repo Rate: When Central Bank borrows funds from commercial banks then it is called Reverse Repo Rate. Bascially,  both Repo Rate and Reverse Repo Rate are used to control the money supply of the economy.

 

Excise (আবগারি শুল্ক)

দেশে উৎপাদিত এবং দেশের অভ্যন্তরে ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে শুল্ক আরোপ করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলে। পক্ষান্তরে, Customs হলো দেশের আমদানি-রপ্তানির উপর ধার্যকৃত শুল্ক।

 

Tariff : বন্দরে শুল্কযোগ্য বা শুল্ক আরোপিত হয়েছে এরূপ আমদানি-রপ্তানিযোগ্য পণ্যের তালিকাকে Tariff বলে। Tariff বলতে ৩টি বিষয়কে নির্দেশ করে। যথা-

১) শুল্ক

২) Per Unit Price এবং

৩) মূল্য তালিকা

 

Para-Tariff: শুল্ক তালিকার বাইরে বা আরোপিত শুল্কের বাইরের অন্যান্য ফিসকে Para-Tariff বলে। যেমন-এন্ট্রি ফি, আনলোড ফি, সার চার্জ ইত্যাদি।

Non-Tariff Barrier: বাণিজ্যের বিশেষ স্বার্থে বন্দর কর্তৃপক্ষ কোন Tariff বা Para-Tariff না নিলেও বিশেষ কিছু শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আমদানি-রপ্তানির অনুমোদন দেয় যা Non-Tariff Barrier নামে পরিচিত। যেমন-সার্টিফিকেট, লাইসেন্স, স্ট্যান্ডার্ড, পরিবেশ সনদ ইত্যাদি।

Turn Over Tax: সমুদয় বিক্রয় মূল্যের উপর যে শুল্ক ধার্য করা হয় তাকে Turn Over Tax বলে।

 

রেয়াত: উৎপাদনের প্রতিটি পর্যায়ে বিক্রেতার মোট ভ্যাটের যে অংশ বিক্রেতা উপকরণ ক্রয় করার সময় পরিশোধ করে চূড়ান্ত পর্যায়ে ভ্যাট দেওয়ার সময় পূর্বে প্রদত্ত ভ্যাট বাদ দিয়ে অথবা পূর্বে প্রদত্ত ভ্যাট ফেরৎ নিয়ে অবশিষ্ট ভ্যাট প্রদান করে তাকে রেয়াত বলে।

 

খাজনা: স্থাবর সম্পত্তি/জমিজমার উপর সরকার যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।

 

টোল: টোল আইন ১৯৫১ অনুসারে কোন ব্রিজ বা কালভাটের উপর দিয়ে কোন যানবাহন বা পশু চলাললের জন্য কর্তৃপক্ষকে যে হারে কর প্রদান করা হয় তাকে টোল বলে।

 

কোন কোন সময় ভ্যাট প্রদান করতে হয়?

ক) যখন পণ্য সরবরাহ বা অর্জন করা হয়।

খ) যখন পণ্য সরবরাহ সংক্রান্ত চালান প্রদান করা হয় এবং

গ) যখন পণ্য ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করা হয় বা অন্যের ব্যবহারের জন্য প্রদান করা হয়।

 

ট্যাক্স: ট্যাক্স  বা কর অর্থ খাজনা। প্রজা কর্তৃক সরকারকে তাঁর ভূমি, ব্যবসা, আয় ইত্যাদির উপর নির্দিষ্ট হারে যে খাজনা প্রদান করা হয় তাকে ট্যাক্স বা কর বলে। যেমন: ভূমিকর, আয়কর ইত্যাদি। অপরপক্ষে, সরকার কোন ব্যক্তিকে কোন সুবিধার বিনিময়ে তার নিকট হতে যে অর্থ আদায় করে তাকে fee বলে যেমন; রেজিস্ট্রেশন ফি, লাইসেন্স ফি ইত্যাদি।

 

ট্যাক্স Fee
ট্যাক্স সম্পদের উপর আরোপ করা হয়।

ট্যাক্স বাধ্যতামূলক।

ট্যাক্স প্রদান করে কোন সুবিধা পাওয়া যায় না।

বিশেষ সুবিধা প্রদানের জন্য ধার্য করা হয়।

ফি বাধ্যতামূলক নয়।

ফি প্রদান করে সুবিধা পাওয়া যায়।

 

আয়কর: এক বা একাধিক উৎস হতে কোন ব্যক্তির আয়ের উপর আরোপিত বার্ষিক করকে আয়কর বলে।

 

প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর: প্রত্যক্ষ কর বলতে সেই করকে বুঝায় যা যে ব্যক্তির উপর ধার্য করা হয় চূড়ান্তভাবে সেই ব্যক্তিকেই করের বোঝা বহন করতে হয়। যেমন-আয়কর, সম্পদ কর ইত্যাদি। অন্যদিকে যে সকল করের বোঝা অন্যের উপর চাপানো যায় তাকে পরোক্ষ কর বলে। যেমন-বিক্রয় কর, আবগারি কর ইত্যাদি।

 

* আমাদের দেশে কালোর টাকার উৎস হচ্ছে-ঘুষ, দুর্নীতি, কর ফাঁকি, মজুতদারি, কালোবাজারি, চাঁদাবাজি, চোরাচালান ইত্যাদি।

* সরকারি আয়ের উৎস হচ্ছে-আবগারি শুল্ক, আয়কর, সম্পত্তির কর, ভ্যাট, ফি, ভ্রমণ কর ইত্যাদি।

* বর্তমানে বাংলাদেশে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সংখ্যা ১১টি। যথা-

১) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা (দক্ষিণ)

২) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা (উত্তর)

৩) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা (পশ্চিম)

৪) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা (পূর্ব)

৫) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, চট্রগ্রাম

৬) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, রাজশাহী

৭) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, খুলনা

৮) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, যশোর

৯) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, কুমিল্লা

১০) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, রংপুর

১১) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, সিলেট

 

* TIN stands for Taxpayer Identification Number. প্রত্যেক করদাতাকে আলাদাভাবে শনাক্ত করতে ১০ ডিজিটবিশিষ্ট TIN ব্যবহার করা হয়।

Tax GDP Ratio: GDP (Gross Domestic Product) এর যে অংশ tax থেকে অর্জিত হয় সে অংশকে Tax GDP Ratio বলে।

 

ট্যারিফ কমিশন: দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা হল ট্যারিফ কমিশন। এটি গঠিত হয় ১৯৭২ সালে। ট্যারিফ কমিশনের উদ্দেশ্য হল-

ক) দেশীয় শিল্পের স্বার্থ রক্ষা করা

খ) দেশীয় পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়তা করা

গ) শিল্প সম্পদ উৎপাদনে প্রতিযোগিতামূলক উৎসাহ প্রদান করা।

 

আন্তর্জাতিক স্বত্বাধিকার ইনস্টিটিউট (International Patent Institute)

আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন পন্য বা নতুন উদ্ভাবিত যস্ত্র, ওষুধ প্রভৃতির স্বত্বাধিকার সম্পর্কিত ইনস্টিটিউট। এটি ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ এ ইনস্টিটিউটের সদস্য।

 

Zero Tariff World: WTO চুক্তি অনুযায়ী ২০০৫ সালের মধ্যে সমগ্র বিশ্বকে অবাধ মুক্তবাজার অর্থনীতির আওতায় আনা হয়। এ ব্যবস্থাকে Zero Tariff World বলে। এ অবস্থাকে সামনে রেখে চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী প্রতিটি রাষ্ট্র তাদের আমদানি শুল্কের হার প্রতি বছর হ্রাস করছে।

 

বৈদেশিক বিনিময়: বৈদেশিক বিনিময় হলো এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি হয় এবং এক দেশের সাথে অন্য দেশের বাণিজ্য পরিচালিত হয়।

 

লেনদেনের ভারসাম্য: একটি নির্দিষ্ট সময়ে কোন দেশের সাথে অন্যান্য দেশের আমদানি-রপ্তানি ও অন্যান্য লেনদেন বাবদ মোট দেনা-পাওনার সমতাকে লেনদেনের ভারসাম্য বলে।

শুল্ক ফেরত/ড্র ব্যাক: আবগারি শুল্ক পরিশোধ করা হয়েছে এরূপ কোন পণ্য বিদেশে রপ্তানি করা হলে সরকার উক্ত পণ্যের উপর আদায়কৃত শুল্কের টাকা ফেরত দেয়। এ টাকা ফেরত দেয়াকে শুল্ক ফেরত বা ড্র ব্যাক বলে।

মুক্তবাজার অর্থনীতি/অবাদ বাণিজ্য: আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যখন কোন প্রকার সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও বিধি-নিষেধ আরোপিত হয় না তখন তাকে অবাধ বাণিজ্য বলে। আর অভাধ বাণিজ্য নীতিই হলো মুক্তবাজার অর্থনীতি। কোন দেশ যদি এ অবাধ বাণিজ্য নীতি অনুসরণ করে তাহলে আমদানিকৃত পণ্যের উপর সেই দেশকে কোন শুল্ক দিতে হয় না।

মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল: যেসব অঞ্চলে কোন প্রকার সরকারি নিয়ন্ত্রণ বা প্রতিবন্ধকতা ছাড়া বাণিজ্য হয় সেসব অঞ্চলকে মুক্তবাজার অর্থনীতি বলে। মুক্ত বাজার অঞ্চলে আমদানি-রপ্তানির জন্য অভিন্ন নীতিমালা অনুসৃত হয়।

FOB: FOB stands for ‘Free On Board’. FOB বলতে বুঝায় যে, জাহাজে মাল বোঝাই করা পর্যন্ত সমস্ত খরচ বিক্রেতা বহন করবে। এক্ষেত্রে ঋণপত্র প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির নিটক থেকে ইন্স্যুরেন্স করার নোট সংগ্রহ করতে হয়।

CIF: CIF stands for ‘Cost, Insurance and Freight’. এক্ষেত্রে বীমা প্রিমিয়াম ও জাহাজ ভাড়া উভয়ই বিক্রেতা বহন করবে। এই ক্ষেত্রে কোন পণ্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পূবানুমতি ব্যতিরেকে আমদানি হতে পারবে না।

বাংলাদেশে কর প্রশাসনের কয়েকটি দুর্বলতা হচ্ছে- ক) কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অদক্ষতা খ) অবকাঠামোগত সমস্যা ও নিম্নপদস্থ কর্মচারীর সংখ্যাধিক্য গ) অপর্যাপ্ত বেতন ফলোশ্রুতিতে দুর্নীতির আশ্রয় গ্রহণ ঘ) কর ফাঁকি রোধে কর্মকর্তাদের যথেষ্ট ক্ষমতা না থাকা ইত্যাদি।

NBR: NBR stands for National Board of Revenue. এটি আয়কর বিষয়ক সর্বোচ্চ প্রশাসনিক সংস্থা। এটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের IRD বিভাগের অধীনে থেকে যাবতীয় আয়কর বিষয়ক কার্য সম্পাদন করে থাকে। এর কার্যাবলি নিম্নরূপ-

ক) কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নিয়োগ দেওয়া।

খ) আয়কর নীতিমালা প্রণয়ন, বিশ্লেষণ, পরিবর্তন  বা পরিবর্ধন।

গ) প্রয়োজনে যে কোন মোকদ্দমা যে কোন কর্তৃপক্ষের নিকট ন্যস্ত করা।

 

আমদানি শুল্ক আদায়ের উদ্দেশ্য:

ক) উন্নয়ন খাতে খরচ যোগান দেওয়া

খ) সরকারি অর্থভাণ্ডার সমৃদ্ধ করা

গ) বিদেশি পণ্যের আমদানি নিয়ন্ত্রণ

ঘ দেশজ শিল্পের বিকাশে সহায়তা করা।

 

কখন আমদানি শুল্ক হ্রাস করা হয়?

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেসব পণ্য আমাদানি করার প্রয়োজন পড়ে সেসব ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক হ্রাস করা হয়। যেমন-কম্পিউটার সরঞ্জাম, ছাপাখানার যন্ত্র, নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধ, খাদ্যদ্রব্য, ব্যবহার্য পণ্যদ্রব্য, গাড়ির যন্ত্রাংশ ইত্যাদি। অনেক ক্ষেত্রে কোন দেশের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ার  ফলে নির্দিষ্ট কতিপয় পণ্যের ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক হ্রাস করা হয়। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশ চুক্তির বিনিময়ে অন্যান্য খাতে সুবিধা লাভ করে থাকে।

 

পণ্য আমদানি পদ্ধতি

ক) আমদানি লাইসেন্স করতে হয়

খ) এলসি ফরমের মাধ্যমে আমদানি

গ) সরাসরি বিদেশে মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে আমদানি

ঘ) ঋণপত্রের মাধ্যমে আমদানি।

 

চোরাচালান বা স্মাগলিং: সরকারি বিধি-নিষেধ ভঙ্গ করে কিংবা শুল্ক আরোপযোগ্য কোন কর ফাঁকি দিয়ে পণ্য সামগ্রী দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো অথবা দেশের বাইরে প্রেরণ করাকে চোরাচালান বা স্মাগলিং বলে।

* কাস্টমস এন্ড এক্সাইজ অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন।

 

কাস্টমস এরিয়া বা এলাকা: শুল্ক কর্তৃপক্ষ খালাসের পূর্বে যে এলাকায় আমদানি বা রপ্তানিকৃত পণ্য রাখা হয় তাকে কাস্টমস ওয়্যার হাউস বলে।

ট্রেজারি বিল: ট্রেজারি বিল হলো সরকার কর্তৃক প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি পত্র যার মাধ্যমে সরকার স্বল্প মেয়াদে ঋণ গ্রহণ করে থাকে। ট্রেজারি বিলের প্রতিশ্রুতি অর্থ তিন মাস পর পর পরিশোধ করতে হয়।

পাবলিক ওয়্যার হাউস: কর আরোপযোগ্য কোন পণ্য যে স্থানে বিনা শুল্কে জমা রাখা হয় তাকে পাবলিক ওয়্যার ইাউস বলে।

 

চালান বা Invoice: বিক্রীত পণ্যের গুণাগুণ, পরিমাণ, মূল্যের পূর্ণ বিবরণীকে চালানা বা Invoice বলে।

 

কাস্টমস বিভাগের সাথে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্পর্ক:

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের একটি উইং হল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দুটি ব্রাঞ্চ যার একটি হচ্ছে আয়কর বিভাগ এবং অপরটি হচ্ছে শুল্ক, আবগারি ও মূল্য সংযোজন কর বিভাগ।

 

করদাতার শ্রেণিবিভাগ

১) কোম্পানি

২) একক ব্যক্তি

৩) অংশীদারী প্রতিষ্ঠান

৪) স্থানীয় কর্তৃপক্ষ

৫) যৌথ হিন্দু পরিবার

৬) ব্যক্তি সংঘ

৭) বিধিবদ্ধ কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তা।

 

আয়কর বিচার বিভাগের স্তর বিন্যাস

অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল (Appellate Tribunal)

 

ঊর্ধ্বতন অ্যাপিলেট যুগ্ম  কর কমিশনার (Sr. A. J. C. T)

 

অ্যাপিলেট যুগ্ম কর কমিশনার (Appellate J. C. T)

 

NGO গুলোকে করের আওতায় আনার কারণ

NGO গুলো সমাজ সেবার পাশাপাশি ব্যবসায় কার্যও পরিচালনা করে থাকে। ফলে তাদের সম্পদ বাড়ছে। NGO-এর উপর তৈরী নীতিমালা মোতাবেক নিয়মমাফিক তাদের Tax দিতে হত না। ফলে তারা প্রতিযোগিতামূলক বাজারে অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে পণ্য ও সেবাদি সরবরাহ করে একচেটিয়া ব্যবসায় করত। সাধারণ ব্যবসায়ীরা তাদের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে ব্যবসায় মার খেত। এছাড়া, অতিরিক্ত লাভ ভোগ করার ফলে NGO গুলো সেবার পরিবর্তে ব্যবসায়ে মনোযোগ বাড়িয়ে দিত। এসব বিবেচনা করে সরকার এদের ব্যবসায়কে করের আওতায় এনেছে। ২০০২-০৩ অর্থ বছর থেকে NGO গুলোকে করের আওতায় আনা হয়।

* আয়কর খাতের সিংহভাগ আসে কর্পোরেট কর থেকে।

* অভ্যন্তরীণ পরোক্ষ করের প্রধান খাত হচ্ছে সিগারেট।

* রাজস্ব প্রাপ্তিকে লক্ষ্য রেখে সরকার ২০০২ সালের জানুয়ারি থেকে সিগারেটের গায়ে ব্যান্ড রোল চালু করে।

* সরকার বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সকে করমুক্ত ঘোষণা করেছে।

* LTU stands for Large Tax Payee Unit.

* জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য সংখ্যা চারজন যাঁরা অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা।

* সর্বোচ্চ আয়কর কর্তৃপক্ষ হল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

* বাংলাদেশে প্রচলিত আয়কর আইনের নাম-আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪।

* জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রধান কর্মকর্তার পদবি-চেয়ারম্যান।

* ব্যাংকের সঞ্চয়ী বা স্থায়ী আমানতের উপর শতকরা ১০% হারে উৎস কর কর্তন করা হয়।

* বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অভ্যন্তরীণ সম্পদের প্রধান উৎস হচ্ছে-শুল্ক, ভ্যাট ও আয়কর।

* বাংলাদেশে বিদ্যমান আয়কর সংক্রান্ত বিভিন্ন আইন/বিধিগুলো হল-

ক) আয়কর আইন, ১৯৬০

খ) আয়কর আইন ১৯২২

গ) আয়কর অর্ডিন্যান্স ১৯৮৪

ঘ) কর ন্যায়পাল আইন ২০০৫।

* সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদ মতে-কর আরোপ নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ অর্থবিল বলে গণ্য হবে।

* আয়কর পরিশোধের নতুন নিয়ম হল-ট্রেজারি চালানের পরিবর্তে পে-অর্ডারের মাধ্যমে এখন থেকে আয়কর পরিশোধ করা।

* দুটি পদ্ধতিতে আয়কর পরিশোধ করা হয়। যথা-ক) স্বনির্ধারণী পদ্ধতি এবং খ) সাধারণ পদ্ধতি।

* কর বিভাগ অর্থ মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত।

* আমাদের দেশে একজন ভিক্ষুকও কর দিয়ে থাকেন। কারণ দোকান থেকে কোন দ্রব্য কেনার সময় তাকে বিক্রয় কর তথা পরোক্ষ কর দিতে হয়।

* সরকারের সকল রাজস্ব কেবল রাজস্ব বোর্ড আদায় করে না। সরকারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান যেমন-স্থানীয় সরকারসমূহ স্থায়ীভাবে রাজস্ব আদায় করে থাকে।

* বাংলাদেশে বর্তমানে তিনটি করনীতি অনুসরণ করা হয়। যথা-

ক) সামর্থ নীতি

খ) সুবিধানীতি এবং

গ) স্থিতিস্থাপকতা নীতি।

* ১৯৭০ সালে জাতিসংঘ GSP ব্যবস্থা প্রবর্তন করে।

* ১৯৭৬ সাল থেকে বাংলাদেশ EU এর কাছ থেকে GSP সুবিধা পাচ্ছে।

* বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানির উপর মাত্র ০.৬% GSP সুবিধা পায়।

* বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ১০ বছর ট্যাক্স হলিডেই্ বিদ্যমান।

* Classical Economics এর জনক এ্যাডাম স্মিথ এবং আধুনিক অর্থনীতির জনক-পল স্যামুয়েলসন।

* ‘দুই বিঘা’ কবিতার কয়েকটি লাইন হচ্ছে-এ জগতে হায় সেই বেশি চায় আছে যার ভুরি ভুরি রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙ্গালের ধন চুরি।

* বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সবচেয়ে বেশি চিনে।

* ‘The theory of economic growth’ is called Luich Theory of Economic Growth.

* আমেরিকায় আর্থিক বছর হচ্ছে-অক্টোবর থেকে সেপ্টেম্বর।

* আমেরিকার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম-ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেম।

* বিশ্বে প্রচলিত মুদ্রার মধ্যে কুয়েতি দিনারের মূল্য সবচেয়ে বেশি।

* Import duty নির্ধারন করে World Custom Organization. বাংলাদেশ সর্বোচ্চ ২৫% Import duty ধার্য করতে পারে।

* বিভিন্ন পণ্যের উপর নিম্নোক্তভাবে Import duty ধার্য করা হয়-০%, ৫%, ১০%, ১২%, ২০% এবং ২৫%।

* বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ০% শুল্ক ধার্য করা হয়।

* বাংলাদেশে প্রাইজ বন্ডের পুরস্কার করমুক্ত।

* লটারির পুরস্কারের ক্ষেত্রে শতকরা ২০% হারে উৎস কর কর্তন করা হয়।

* সিগারেট খাতে সম্পূরক শুল্ক হার ৩৫০%।

* বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌ বন্দর হচ্ছে-চাঁদপুর, নারায়নগঞ্জ, গোয়ালন্দ, নগরবাড়ি, ঝালকাঠি ইত্যাদি।

* Ideal VAT হলো ১৫%। অন্য যে কোন হারে ভ্যাট গ্রহণ হলো ভ্যাটের Deviation বা ব্যতিক্রম।

* PSI stands for Pre-Shipment Inspection. Pre shipment Inspection (PSI) সাধারণত শুল্ক ফাঁকি রোধ করার জন্য করা হয়। যে সকল আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান PSI পরিচালনা করে তাদেরকে উক্ত পণ্যের মূল্যের উপর ১% হারে চার্জ প্রদান করতে হয়। ২০১৩ সালের ১ জুলাই থেকে বাংলাদেশ হতে PSI তুলে দেওয়া হয়েছে।

* সামাজিক ব্যবসার প্রবক্তা-ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

* বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি সাহায্যকারী দেশ জাপান।

* ডাম্পিং: দেশিয় বাজারের চেয়ে কম মূল্যে বিদেশি পণ্য সামগ্রী বিক্রয় করাকে ডাম্পিং বলে। মূলত দেশিয় শিল্পকে ধ্বংস করার অপকৌশল হচেছ ডাম্পিং।

* আমেরিকা ব্যতীত বিশ্বের সব উন্নত দেশ বাংলাদেশসহ সকল গরিব দেশকে অবাধ বাজার সুবিধা দিয়েছে।

* বাংলাদেশ, নেপাল ও কম্বোডিয়া এই তিনটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত সবিধা থেকে বঞ্চিত।

* অর্থনীতিবিদ রাগনার ফ্রিশ ১৯৩৪ সালে অর্থনীতিকে ব্যষ্টিক ও সামষ্টিক এই দুইভাগে ভাগ করেন।

* Classical অর্থনীতির জনক-এ্যাডামস্মিথ (১৮২৩-১৮৯০) এবং আধুনিক অর্থনীতির জনক-পল এ. স্যামুয়েলসন (১৯১৫-২০১০)

* শায়েস্তা খান ইংরেজদের বিনাশুল্কে বাণিজ্য করার অনুমতি দেন।

* টাঙ্গাইল জেলায় সর্বপ্রথম জেলা বাজেট ঘোষণা করা হয়।

* চট্রগ্রাম সমুদ্র বন্দর ১৮৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

* চট্রগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

* বাংলাদেশে ভ্যাট (ভ্যালু এ্যাডেড ট্যাস্ক) চালু হয় ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।

* মংলা সমুদ্র বন্দরের বড় জাহাজ (মাদার ভ্যাসেল) এর পণ্য খালাস হয় চালনা সমুদ্র বন্দরে।

* বর্তমানে বিশ্বে স্বল্পোন্নত দেশের সংখ্যা ৪৮ টি (১ জানুয়ারি, ২০১১ সালে মালদ্বীপ এ তালিকা থেকে বেরিয়ে আসে)

* স্বল্পোন্নত দেশ তিনটি সূচকের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়। যথা-

ক) নিম্ন আয়

খ) মানব সম্পদের অবস্থা এবং

গ) অর্থনৈতিক অরক্ষিততা।

 

* মোট জাতীয় (GNI) মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে-

নিম্ন আয় ১০৪৫ ডলার
নিম্ন-মধ্যম আয় ১০৪৬-৪১২৫ ডলার
উচ্চ মধ্যম আয় ৪১২৬-১২৭৩৫ ডলার
উচ্চ আয় ১২৭৩৬ ডলার বা তার বেশি

 

* দেশে মোট ব্যাংকের সংখ্যা-৬৪টি, তফসিলি ব্যাংক ৫৭টি এবং বিশেষায়িত ব্যাংক ৫টি।

* জাতীয় মুসক/কর/ভ্যাট দিবস-১০ জুলাই।

* ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্তমান সদস্য সংখ্যা-২৮। সর্ব শেষ সদস্যরাষ্ট্র হিসাবে ক্রোয়েশিয়া ১ জুলাই ২০১৩ সালে ই ইউ-এ যোগদান করে।

* দেশে মোট EPZ (Export Processing Zone) এর সংখ্যা ৯টি। এর মধ্যে ৮টি সরকারি এবং ১টি বেসরকারি।

সরকারি EPZ গুলো হলো-ঢাকা, মংলা, ঈশ্বররদী, উত্তরা, কুমিলস্না, আদমজী এবং কর্ণফুলি। একমাত্র বেসরকারী EPZ হলো-কোরিয়ান EPZ

* বিশ্বের শীর্ষ ঋণদাতা দেশ হচ্ছে জাপান।

* অর্থনীতিতে নোবেল জয়ী প্রথম নারী এলিনর অস্ট্রম।

* GATT stands for General Agreement on Tarriff and Trade.

* কাসাব্লাংকা মরক্কোর এবং অকল্যান্ড নিউজিল্যান্ডের সমুদ্র্ বন্দর।

* সীমান্ত হাট জিঞ্জিরাম নদীর তীরে অবস্থিত।

* বাংলাদেশ ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে WTO এর সদস্যপদ লাভ করে।

* দক্ষিণ সুদানে কোন সমুদ্র বন্দর নেই।

* বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া প্রথম জাহাজের নাম-স্টেলা মেরিস।

* প্রবাসী আয় বা রেমিটেন্স প্রাপ্তিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৮ম।

* Chittagong is the commercial capital of Bangladesh.

* দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণ: মুদ্রাস্ফীতি, মধ্য স্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম, পথে পথে চাঁদাবাজি এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রধান কারণ।

* ঢাকা, বেনাপোল কাস্টমস হাউজ এবং বন্ড কমিশনারেট অঞ্চল থেকে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আয় হয়।

* PSI stands for Pre-Shipment Inspection.

* জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাজ হচ্ছে-

১) কর আদায় সম্পর্কিত বিধিমালা প্রণয়ন

২) কর আদায়

৩) শুল্ক ও কর প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা

৪) শুল্ক ও কর আইনের অধীনে আপীল ও রিভিশন মামলার নিষ্পত্তি

৫) আমদানি-রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, নীতি বাস্তবায়ন ও দেশীয় শিল্পের বিকাশে নীতি প্রণয়নে সহায়তা।

 

* চ্যান্সেলর অব একচেকার বলা হয় বৃটেনের অর্থমন্ত্রীকে।

* বাংলাদেশে ৩টি পদ্ধতিতে জাতীয় আয় পরিমাপ করা হয়। যথা-

১) উৎপাদন পদ্ধতি

২) আয় পদ্ধতি এবং

৩) ব্যয় পদ্ধতি।

* ৬ মে ২০১৪ সালে কর ফাঁকি রোধে বিশ্বের মোট ৪৭টি দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

* কর ফাঁকি রোধে OECD (Organization for Economic Co-operation and Development) নামক সংগঠনটি বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

* অনলাইনে কেনা-বেচা করার সেবা Pay Pal-এর জনক-ইলন মাস্ক।

* EBA (Everything but Arms) একটি বাণিজ্যিক সুবিধার নাম।

* ৬ মার্চ ২০১৪ সালে বাংলাদেশ ফিলিপাইনের সাথে ভিসামুক্ত চুক্তি স্বাক্ষর করে।

* মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেম’ এর প্রথম নারী প্রধান-জ্যানেট ইয়েলেন।

* WHO-এর তথ্যমতে, বাংলাদেশে নারায়নগঞ্জ শহরের বায়ু সবচেয়ে দূষিত।

 

* কর রিটার্ন ও আয়কর রিটার্ন এর মধ্যে পার্থক্য:

কর রিটার্ন আয়কর রিটার্ন
কর রিটার্নে করদাতার পেশা, সম্পত্তির পরিমাণ, পেশাগত ব্যয় এবং অন্যান্য বিষয়াদির উলেস্নখ থাকে। আয়কর রিটার্নে করদাতার আয় এবং আয়ের উৎস সম্পর্কে বর্ণনা থাকে।
কর রিটার্ন দাখিল করলেও করদাতা নিশ্চিতভাবে কর প্রদান করে না। আয়কর রিটার্নের ক্ষেত্রে করদাতা নিশ্চিতভাবেই কর প্রদান করে।

 

করঘাত: আইনানুযায়ী যার উপর কর ধার্য করা হয়, করের প্রাথমিক বোঝা তার উপর পড়ে। করের প্রাথমিক বোঝাকে করঘাত বলে।

করপাত: যে ব্যক্তি সর্বশেষে করের অর্থ প্রদান করে তার উপর চূড়ান্ত করের বোঝা পড়ে। এই চূড়ান্ত করের বোঝাকে করপাত বলে।

Canon of Taxation: একটি ভালো করের বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলিকে Canon of Taxation বলে।

 

ট্যারিফ কমিশনের কার্যাবলি

ক) দেশীয় পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি করা

খ)  দেশীয় শিল্পের স্বার্থ রক্ষা করা

গ) শিল্প সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা

ঘ) প্রয়োজনে সরকারকে বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করা

ঙ) ডাম্পিং ও বিদেশি পণ্যের আমদানি ও বিক্রয়ের ব্যাপারে অসাধু পন্থা প্রতিরোধকল্পে পদক্ষেপ নেওয়া।

 

Anti-Damping

আমদানিকারক দেশ যদি প্রমাণ করতে পারে যে রপ্তানিকারক দেশ Damping করছে তাহলে ঐ দ্রব্যের উপর যে কোন হারে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করাকে Anti-Damping বলে।

 

GSP: শিল্পোন্নত দেশগুলো কর্তৃক অনুন্নত দেশগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিক বাণিজ্যের সুযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে GSP বলে।

 

যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক GSP সুবিধা প্রত্যাহারের কারণ

ক) পোশাক উৎপাদন ব্যবস্থার যথাযথ পরিবেশ না থাকা।

খ) শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করতে না দেওয়া।

গ) শ্রমিক নেতা আমিনুল ইসলাম হত্যার তদন্ত ও বিচার না হওয়া।

ঘ) তাজরীন ফ্যাশনে অগ্নিকাণ্ড ও রানা প্লাজা ধ্বসে শত শত শ্রমিকের মৃত্যু।

 

Rules of Origin: তৈরী পোশাক আমদানিতে EU অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্যসংযোজনের যে নিয়ম নির্ধারণ করে তাকে Rules of Origin বলে।

 

ট্যাক্স হলিডেই্: দেশের সার্বিক উন্নয়ন, দেশীয় শিল্প রক্ষা ও বেকারত্ব দুরীকরণের লক্ষ্যে সরকার নির্দিষ্ট কিছু খাতে বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার জন্য নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ট্যাক্স মওকুফ করে থাকে যাকে ট্যাক্স হলিডেই্ বলে।

 

ট্যাক্স হলিডেই্ ১০ বছর হলে সরকার কি কোন ট্যাক্স পায়?

ট্যাক্স হলিডেই্ তিনটি পর্যায়ে প্রদান করা হয়। প্রথম ৫ বছর পূর্ণ ট্যাক্স হলিডেই্ ভোগ করবে, পরবর্তী ৩ বছর ৫০% ট্যাক্স দিতে হবে এবং শেষ ২ বছর ৭৫% ট্যাক্স দিতে হবে।

 

শুল্ক: শুল্ক এর আওতাভুক্ত ৩টি বিষয় রয়েছে।

ক) Import duty

খ) Export duty এবং

গ) Transit Duty. এই তিনটি বিষয়কে একত্রে Custom duty বলে।

 

Transit Duty আরোপ করা উচিৎ কিনা?

International Law অনুযায়ী Transit Duty আরোপ করা যায় না। তবে ভারত ও বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার  প্রেক্ষিতে এবং বাণিজ্য ঘাটতির বিষয় বিবেচনা করে Transit Duty আরোপ করা যায়। আবার, ভারতের নিটক থেকে অন্যান্য বিষয়ে Prevelize পাওয়ার প্রেক্ষিতে Transit Duty আরোপ নাও করা যেতে পারে।

 

রাজস্ব বাজেট: যে বাজেটের অর্থ সংস্থান হয় রাজস্ব থেকে এবং উক্ত অর্থ ব্যয় করা হয় সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও সরকারি প্রতিষ্ঠান রক্ষণাবেক্ষণের কাজে সেই বাজেটকে রাজস্ব বাজেট বলে।

 

উন্নয়ন বাজেট: যে বাজেটের অর্থ সংস্থান হয় রাজস্ব উদ্বৃত্ত (যদি থাকে) এবং দেশি বিদেশি ঋণ ও অনুদান থেকে এবং উক্ত অর্থ ব্যয় করা হয় রাষ্ট্রের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে সেই বাজেটকে উন্নয়ন বাজেট বলে।

 

সম্পূরক বা সংশোধিত বাজেট: নতুন অর্থ বছরের বাজেট প্রস্ত্তত ও অনুমোদন করার পূর্বে চলতি অর্থ বছরের বাজেট সমন্বয় করে পুনরায় জাতীয় সংসদ থেকে অনুমোদন করে নিতে হয়। ইহাকে সমপূরক বাজেট বলে।

 

Hot money: যে মুদ্রার বিনিময় মূল্য হ্রাস পাওয়ার ভয়ে জনগণ ছেড়ে দেওয়ার জন্য ব্যস্ত থাকে তাকে Hot money বলে।

GSP stands for “Generalised system of Preference. সাধারণত যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত রাষ্ট্রসমূহে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে কোন কোন দেশ যে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পেয়ে থাকে তাকে GSP বলে। যুক্তরাষ্ট্র ২০১৩ সালের  ২৮ জুন বাংলাদেশকে GSP সুবিধা প্রদান বন্ধ করে। উলেস্নখ্য ১৯৭৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে GSP সুবিধা পেয়ে আসছিল।

 

GSP: GSP stands for Generalized System of preferences. The elimination or reduction import tariffs by the advanced countries on specific products exported by approved developing countries is called GSP. It was first introduced in 1971 with a view to encouraging the development and diversification of developing countries exports.

 

One Stop Service: One Stop Service is an arrangement by the Board of Investment to provide the investors with utility services like electricity, gas and telephone from a single office. It reduces time, energy and money of the investors.

 

Free Trade: Free Trade is a trade which is unimpeded by tariffs, import and export quotas and other devices which obstruct the free movement of goods and services between countries.

Free Port: হংকং সমুদ্র বন্দরে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য জাহাজকে কোন Fee দিতে হয় না। তাই এই সমুদ্র বন্দরকে Free Port বলা হয়।

 

সবুজ কর: কোন শিল্প প্রতিষ্ঠানে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকলে এক শতাংশ হারে পরিবেশ সুরক্ষা সারচার্জ দিতে হবে যাকে সবুজ কর বলে।

 

বিগত ১০ম বিসিএস থেকে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় আসা গুরুত্বপূর্ণ টীকা

 

আদিষ্ট মুদ্রা: বস্ত্ত হিসাবে যে মুদ্রার নিজস্ব কোন মূল্য নেই, কিন্তু সরকারি নির্দেশে জনসাধারণ লেনদেনের মাধ্যম হিসাবে তা গ্রহণ করতে বাধ্য থাকে তাকে আদিষ্ট মুদ্রা বলে। এ মুদ্রা অন্য মুদ্রায় পরিবর্তন করা যায় না। বাংলাদেশে ১ টাকার নোট আদিষ্ট মুদ্রা।

 

ক্রীড়াতত্ত্ব: একশ্রেণির আর্থ-সমাজবিদ মনে করেন যে, রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমরনীতিও এক ধরণের ক্রীড়াবিশেষ এবং এসব ক্ষেত্রেও সাফল্য নির্ভর করে নিজের শক্তি, সামর্থ্য, টেকনিক ও স্ট্র্যাটেজির যথার্থ মূল্যায়ন এবং তুলনামূলক  বিচারের ভিত্তিতে সঠিক সিদ্ধামত্ম গ্রহণ করতে পারার উপর। বর্তমানে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে এ তত্ত্বের গুরম্নত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অনেকের ধারণা। বস্ত্তত এ তত্ত্বের প্রয়োগ করার রীতি হচ্ছে আঙ্কিক সমীকরণের মাধ্যমে। ফরাসি অংকশাস্ত্রবিদ এমিল বোরেল ১৯২১ সালে সর্বপ্রথম এ তত্ত্বের কথা বলেন। পরবর্তীতে জন মর্সে স্টার্ন (জার্মানি) প্রমুখ এ তত্ত্বের আরো বিকাশ সাধন করেন।

 

বিনিময়পত্র: তামাদি আইনের ২(২) ধারা অনুসারে বিনিময়পত্র বলতে হুন্ডি এবং চেক বোঝায়। ১৮৮১ সালের হসত্মামত্মরযোগ্য দলিল সংক্রামত্ম আইনের ৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, বিনিময়পত্র বা বরাত চিঠি হলো একটি লেখ্যপত্র। এতে কোনো ব্যক্তি স্বাক্ষর করে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে শর্তহীন আদেশ দেয় যে, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বা তার আদেশমত বা লেখ্যপত্র বাহককে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করা হোক।

 

অবাধ অর্থনীতি: সমাজতান্ত্রিক বা রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত অর্থনীতির বিপরীতে পুঁজিবাদী অর্থনীতিকে বুঝানোর জন্যেই এ কথার প্রচলন করা হয়। অবাধ বা মুক্ত অর্থনীতিতে উৎপাদন ও বিপণনের উপর মূলত রাষ্ট্রের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না; ক্রেতা সাধারণের গড় চাহিদাই উৎপাদনের রকম ও পরিমাণ নির্ধারণ করে। তবে, বাসত্মবে বিশ্বের সকল রাষ্ট্রেরই উৎপাদন ও বিপণনের উপর কিছু না কিছু নিয়ন্ত্রণ থাকে এবং বিভিন্ন দেশে এমনকি উন্নত পুঁজিবাদী দেশসমূহেও এখন রাষ্ট্র ক্রমশ অধিক থেকে অধিকতর হারে নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে। জার্মানির সিলভিও গোসেল (১৮৬২-১৯৩০) প্রমুখ অবাধ অর্থনীতির প্রবক্তাগণ মনে করেন যে, অর্থনৈতিক বৈকল্যের চিকিৎসার প্রধান উপায় হল নিয়মিত একটি নির্দিষ্ট হারে মুদ্রামান হ্রাস করা এবং এর ফলে সৃষ্ট ফাঁক পূরণের জন্যে নয়া মুদ্রা বাজারে ছাড়া। এ ব্যবস্থায় মুদ্রার সার্কুলেশন বেড়ে যাবে, কারণ জনসাধারণ চাইবে মুদ্রামান কমার আগেই তা দিয়ে কোনো না কোনো দ্রব্য কিনে ফেলতে। মুদ্রার এ গতিশীলতা কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে গতি সুষ্টি করবে এবং ফলে কোনো অর্থনৈতিক সঙ্কট দেখা দেবে না।

 

জনাকয়েক বিক্রেতার বাজার (অলিগপলি মার্কেট): যখন কোনো পণ্য সামগ্রীর যোগান মাত্র কয়েকজন বিক্রেতার সরবরাহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, তখন তাকে জনাকয়েক বিক্রেতার বাজার (অলিগপলি মার্কেট) বলে।

পুঁজি পুঞ্জীভবন: মার্কসীয় মতে, উদ্বৃত্ত মূল্যের একটি অংশ পুঁজিতে পরিবর্তিত হয়ে পুঁজির বিসত্মার সাধন করে। পুঁজির এ বিসত্মার পুঁজিপতির ব্যক্তিগত প্রয়োজন বা খেয়ালের দরম্নণ ঘটে না, বরং তা ঘটে নতুন ও বৃহত্তর পর্যায়ের উৎপাদনের স্বার্থে। পুঁজির এ বিসত্মারের প্রক্রিয়ায় শুরম্ন হয় পুঁজির পুঞ্জীভবন বা Accumulation of Capital.

 

 

অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত: সরকার অনেক সময় বিভিন্ন সেক্টরে বা বিশেষ বিশেষ বিষয়ের উপর গুরম্নত্ব বা জোর আরোপ করে যাকে এক কথায় অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত বলে। এ ধরনের নীতি সাধারণত অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সামনে রেখে করা হয়।

 

ব্র্যান্ড: ব্র্যান্ডের প্রতি সকলের আকর্ষণ দুর্নিবার। বাংলাতে যাকে বলা হয় পণ্যের মার্কা। কোনো পণ্য উৎপাদক বা পরিবেশক তার পণ্য চিহ্নিত করার জন্য সুনির্দিষ্টভাবে একটি চিহ্ন বা মার্কা ব্যবহার করেন। এ চিহ্নটি হচ্ছে ঐ বিশেষ পণ্য চেনার সহজ উপায়। ঐ চিহ্ন বা মার্কার নাম হচ্ছে ব্র্যান্ড বা পণ্যচিহ্ন। যখন কোনো পণ্য বাজারে সুনাম অর্জন করে তখন এর উৎপাদক বা পরিবেশক এর ব্র্যান্ড নেম বা ট্রেডমার্ককে বেশি করে প্রচার করে যাতে তার পণ্য অন্যান্য প্রতিযোগীর পণ্য থেকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা যায়। অ্যাপেল, ম্যাকিনটশ, বাটা, হরলিকস, হুন্ডা ইত্যাদি এক একটি ব্র্যান্ড নেম বা পণ্য চিহ্ন। সুপরিচিত ব্র্যান্ডের পণ্যের প্রতি রয়েছে ক্রেতাদের আলাদা আকর্ষণ, যদিও দাম অনেকগুণ বেশি।

 

কর অবকাশ: স্থানীয় রপ্তানিমুখী শিল্পকে সুবিধা প্রদান, অনগ্রসর অঞ্চলে শিল্প-কারখানা স্থাপনের জন্য উৎসাহ প্রদান এবং বিদেশী পুঁজি বিনিয়োগে উৎসাহী করার উদ্দেশ্যে সরকার বিভিন্ন মেয়াদে কিছু শিল্প প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কর প্রদানে অব্যাহতি প্রদান করে থাকে। একে কর অবকাশ (Tax Holiday) বলে।

 

পেটিবুর্জোয়া: পেটিবুর্জোয়া কথাটির অর্থ হলো ছোট বা ক্ষুদ্র বুর্জোয়া। পেটি বুর্জোয়া হলো সর্বহারা ও বুর্জোয়ার মাঝামাঝি সত্মর। পেটি বুর্জোয়ারাও উৎপাদনের  উপায়সমূহের মালিক হয়ে উদ্বৃত্ত মূল্য শোষণ করতে পারে। অপর দিকে এরা বুর্জোয়াদের দ্বারা শোষিতও হয়ে থাকে। ফলে এদের মধ্যে থাকে দ্বৈততা ও দোদুল্যমানতা। এরা বুর্জোয়াদের উপর ক্ষুব্ধও থাকে আবার আপোস করতেও দ্বিধা করে না। এরা নিজেরাও যৎকিঞ্চিৎ উৎপাদনের উপায়ের মালিক বিধায় এরা ঝুঁকিপূর্ণ কোনো আন্দোলনে অংশ নিতে ভয় পায়। এজন্য সমাজতন্ত্রীরা এদের বিপস্নবী বলে বিবেচনা করে না। তবে, জাতীয় বিপস্নবে এরা সমাজতন্ত্রীদের মিত্র হতে পারে।

 

কলমানি: তলবমাত্র, চাহিবামাত্র অথবা স্বল্প সময়ের নোটিশের প্রেক্ষিতে পরিশোধ্য অর্থ হচ্ছে কলমানি বা তলবি অর্থ। বিল ব্রোকার, ব্যাংকার অথবা ডিসকাউন্ট হাউসগুলো খুবই প্রতিযোগিতামূলক হারে এ অর্থ দিয়ে থাকে। Call অথবা Demand করা মাত্র এ অর্থ আবার পরিশোধ করে দিতে হয়।

 

মাস্টার কার্ড: মাস্টার কার্ড ব্যাংক তার সেসব গ্রাহকদের ইস্যু করে থাকে যেসব গ্রাহক দেশ-বিদেশ সফরে যান। অর্থাৎ দেশ এবং বিদেশ উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহার উপযোগী কার্ডকে মাস্টার কার্ড বলে। কার্ডে অর্থের পরিমাণ, কার্যকারিতার মেয়াদ, পাসপোর্ট নম্বর ইত্যাদি উলেস্নখ থাকে। এ কার্ডধারী যেসব দেশে অবস্থান করবেন সেসব দেশের ব্যাংকে গিয়ে এ কার্ড দেখিয়ে অর্থ তুলতে পারবেন। ব্যাংক এ বাবদ অর্থ বা ভ্রমণকারীর চেক ভ্রমণকারীকে দিয়ে থাকে।

 

মুদ্রাস্ফীতি: মুদ্রাস্ফীতি বলতে সাধারণ মূল্যসত্মরের ক্রমাগত বৃদ্ধিকে বুঝায়। অন্য অর্থে, অর্থের মূল্য হ্রাস পাওয়াকে মুদ্রাস্ফীতি বলে। একই পরিমাণ অর্থে আগের তুলনায় বর্তমানে অপেক্ষাকৃত কম পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী পাওয়ার অর্থই হচ্ছে মুদ্রাস্ফীতি।

 

পাবলিক একাউন্টস বা সরকারি হিসাব: পাবলিক একাউন্টস বা সরকারি হিসাব বলতে সংযুক্ত তহবিলকে বোঝায়। সংবিধানের ৮৪ ধারা মতে, যে হিসাবে প্রজাতন্ত্রের রাজস্ব গৃহীত বা জমা হয় এবং যা থেকে সরকার বা সরকারের পক্ষ থেকে ব্যয় মেটানো হয় তাই সরকারি হিসাব।

 

বস্নু চিপ শেয়ার: যেসব কোম্পানির আর্থিক অবস্থা খুবই ভালো এবং সুসংহত, ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার মান প্রশ্নাতীত এবং উৎপাদিত পণ্যের বাজারও নিরাপদ, সর্বোপরি কোম্পানির লভ্যাংশের হারও খুব আকর্ষণীয়, সেসব কোম্পানির শেয়ার বস্নু চিপ শেয়ার নামে পরিচিত। এ ধরণের শেয়ারের চাহিদা খুব বেশি থাকে বলে বাজারে এগুলোর দামও থাকে অত্যমত্ম উঁচুতে।

One Stop Service: বিনিয়োগ বোর্ড কর্তৃক প্রবর্তিত একটি নতুন ব্যবস্থা হচ্ছে One Stop Service। এ ব্যবস্থায় একজন বিদেশী বিনিয়োগকারী একটি মাত্র অফিস থেকে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও টেলিফোন সুবিধাদি পেয়ে থাকে। এ ব্যবস্থায় বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য সময় ও অর্থের অপচয় রোধ হয়, যা নিঃসন্দেহে একটি যুগামত্মকারী পদক্ষেপ।

 

মুদ্রা সংকোচন (Deflation): প্রকৃতপক্ষে মুদ্রা সংকোচন হলো মুদ্রাস্ফীতির বিপরীত অবস্থা। অধ্যাপক পল এইনজিগ বলেন, মুদ্রা সংকোচন হলো এমন একটি ভারসাম্যহীন অবস্থা যখন দামসত্মরের নিম্নগতির প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেশের অর্থনৈতিক সামর্থ্য সংকুচিত হয়ে আসে। সংকোচনের ক্ষেত্রে মোট উৎপন্ন দ্রব্যের যোগানের তুলনায় মোট চাহিদা কম হয়। এ অবস্থায় দামসত্মর কমে এবং অর্থের চাহিদা বাড়ে। মুদ্রা সংকোচনের কারণগুলো হলো-

  • মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য গৃহীত ব্যবস্থার ফলে দেশে উৎপাদিত পণ্যের সামগ্রিক দাম কমে যায়, আয় ও নিয়োগ কমে। ফলে মুদ্রা সংকোচন দেখা দেয়।
  • দেশের মোট উৎপাদন যখন অতিরিক্ত পরিমাণ বাড়ে, অথচ অর্থের যোগান আনুপাতিকহারে না বাড়ে তাহলে দামসত্মর কমবে এবং মুদ্রা সংকোচন দেখা দেবে।

 

রাজস্ব (Revenue): সাধারণ অর্থে রাজস্ব বলতে কর বা খাজনা বোঝায়। কোনো সম্পত্তি থেকে অর্জিত আয়কে রাজস্ব বলে। প্রকৃত অর্থে, বিভিন্ন উৎস থেকে সরকারের যে আয় হয় তাকে রাজস্ব বলে।

 

উন্নয়ন পরিকল্পনা (Development Plan): উন্নয়ন পরিকল্পনা একটি চলমান প্রক্রিয়া। সীমিত সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক পর্যায়ক্রমিক উন্নয়নের বিভিন্ন ধাপে পৌঁছে দেয়াই হচ্ছে এর মূল লক্ষ্য।

 

মুদ্রা অবমূল্যায়ন (Devaluation of Money): সরকার যখন বৈদেশিক মুদ্রা বা স্বর্ণের তুলনায় দেশীয় মুদ্রার বিনিময়মূল্য  কমিয়ে দেয় অর্থাৎ মুদ্রার মান কমিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার সাথে মূল্য স্থির করে তখন এরূপ মুদ্রার মান কমানোই হলো মুদ্রা অবমূল্যায়ন।

ড্যাম্পিং (Dumping): ড্যাম্পিং হলো স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যের বাজার দখল করার কৌশল। দেশীয় বাজারের দ্রব্যমূল্যের চেয়ে কম মূল্যে বিদেশী পণ্য সামগ্রী বিক্রয় করাকে ডাম্পিং বলে।

 

শুল্কাধীন পণ্যাগার (Bonded Ware House): যে পণ্যাগারে শুল্ক পরিশোধ না করা পর্যমত্ম পণ্য আটক রাখা হয় তাকে শুল্কাধীন পণ্যাগার বলে। শুল্ক পরিশোধ করে আমদানিকৃত পণ্য খালাস করে নেয়ার পূর্ব পর্যমত্ম সংশিস্নষ্ট মালামাল সংরক্ষণের জন্য শুল্কাধীন পণ্যাগার অনুজ্ঞা পেয়ে থাকে।

 

নিষেধাজ্ঞা (Embargo): সাধারণত একটি রাষ্ট্র কর্তৃক অন্য রাষ্ট্রের বাণিজ্য জাহাজের বন্দর ত্যাগ বা বন্দরে প্রবেশের উপর সরকারি আদেশ বা আইন জারিকে নিষেধাজ্ঞা বা নিষিদ্ধকরণ (Embargo) বলা হয়। যুদ্ধ বা উত্তেজনা চলাকালীন সময়ে সাধারণত এরূপ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এ নিষেধাজ্ঞা নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট কালের জন্য হতে পারে। কখনো কখনো সংবাদপত্রে কোনো  সংবাদবিশেষ বিকৃতি বা বিজ্ঞপ্তি ইত্যাদি প্রকাশের ক্ষেত্রেও সরকারি কর্তৃপক্ষ স্থায়ী বা সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে থাকে।

গণঅভ্যুত্থান: কোনো উপনিবেশবাদী বা সাম্রাজ্যবাদী শক্তি কিংবা কোনো শোষক ও গণবিরোধী সরকার অথবা কোন তাঁবেদার সরকারের বিরম্নদ্ধে আপামর জনগণের বিদ্রোহকেই বলে গণঅভ্যুত্থান। গণঅভ্যুত্থান কোন ধর্মঘট বা হরতালমাত্র নয়, বরং জাতীয়তাবিরোধী, গণবিরোধী শক্তির বিরম্নদ্ধে নিপীড়িত জনগণের ধারাবাহিক আক্রোশের সার্বিক প্রকাশ। তবে ধর্মঘট, হরতাল, বিক্ষোভ ইত্যাদির মাধ্যমেও এর প্রকাশ ঘটে থাকে। গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য মজুরি বৃদ্ধি বা অনুরূপ কোন সাময়িক দাবি নয়, বরং রাষ্ট্রীয় বা সরকারি কাঠামোর ক্ষেত্রে মৌলিক পরিবর্তন। সাম্রাজ্যবাদী তথা উপনিবেশবাদী শক্তি বা তাদের তাঁবেদারদের বিরম্নদ্ধে গড়ে উঠা গণঅভ্যুত্থানে আপামর জনগণ অংশগ্রহণ করে; আর দেশীয় শোষক শ্রেণির বিরম্নদ্ধে গড়ে ওঠা গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয় মূলত সমগ্র শোষিত বা অধিকারবঞ্চিত জনগণ।

গিল্ড (Gild): মধ্যযুগের (সামমত্ম যুগ) কারিগরদের সংঘগুলোকেই গিল্ড বলা হয়। সামমত্মযুগে নগরে নগরে হসত্মশিল্পী ও ব্যবসায়ীরা সামমত্মবাদীদের বাধা ও হামলা থেকে নিজেদের সাধারণ স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে এ সমমত্মসংঘ বা গিল্ড গড়ে ওঠে।

 

ফ্লোটিং মানি: যে অর্থ ব্যাংক, এক্সচেঞ্জ হাউস বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ড্রাফট, ব্যাংকারের চেক, ট্র্যাভেলার চেক ইত্যাদি ইস্যুর আকারে থাকে এবং পুনরায় যোগান দেয়ার আগ পর্যমত্ম এগুলোকে ফ্লোটিং মানি বা ভাসমান অর্থ বলে।

 

Repo Rate: Repo Rate is the rate at which the central bank of a country lends money to commercial banks in the event of any shortfall of funds. In the event of inflation, central bank increases repo rate as this acts as a disincentive for banks to borrow from the central bank.

 

Guardian-ad-litem: যিনি কোন মোকদ্দমায় নাবালকের প্রতিনিধিত্ব করেন তাকে Guardian-ad-litem বলে।

 

Blue Economy বা সমুদ্র অর্থনীতি: Blue Economy এর প্রচলিত বাংলা প্রতিশব্দ সমুদ্র অর্থনীতি। সমুদ্রের অথৈ নীল জলরাশির ব্যাপক অর্থনৈতিক কর্মকা–র সম্পৃক্ততা হেতু সমুদ্র অর্থনীতি প্রত্যয়ের উদ্ভব। সমুদ্র অর্থনীতির মূল উপাদান হচ্ছে মৎস্য সম্পদ ও সমুদ্রের অভ্যমত্মরে বিদ্যমান তেল-গ্যাসসহ অন্যান্য অফুরমত্ম খনিজ সম্পদ। এর সাথে যোগ হয়েছে সমুদ্রকে কেন্দ্র করে আবর্তিত ব্যাপক অর্থনৈতিক কর্মকা- যেমন: আমদানি-রপ্তানিতে সমুদ্র পরিবহন, সমুদ্রভিত্তিক পর্যটন অর্থনীতি, বন্দর অর্থনীতি, তেল-গ্যাস-খনিজ ও সমুদ্র সম্পদের উত্তোলন, উৎপাদন এবং এগুলোর ব্যাপক বাণিজ্যিক ব্যবহার, ফলশ্রম্নতিতে অর্থনৈতিক গতি, প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন ইত্যাদি। এক কথায়, সমুদ্রের জলরাশি, সমুদ্র সম্পদ ও সমুদ্রকে ঘিরে গড়ে ওঠা অর্থনীতিকে বলা হয় Blue Economy বা সমুদ্র অর্থনীতি।

 

Agent Banking: Agent banking is a retail or postal outlet contracted by a financial institution or a mobile network operator to process clients’ transactions. Banking agents can be pharmacies, supermarkets, convenience stores, lottery outlets, post offices, and many more.

 

হেফাজতে ইসলাম এর ১৩ ধারা

  • সংবিধানে ‘আলস্নাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন এবং কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী সব আইন বাতিল করতে হবে।
  • আলস্নাহ, রাসূল (সাঃ) ও ইসলাম ধর্মের অবমাননা এবং মুসলমানদের বিরম্নদ্ধে কুৎসা রোধে সর্বোচ্চ শাসিত্ম মৃত্যুদ–র বিধান রেখে জাতীয় সংসদে আইন পাশ করতে হবে।
  • কথিত শাহবাগী আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী স্বঘোষিত নাসিত্মক-মুরতাদ এবং প্রিয় নবী (সাঃ)-এর শানে জঘন্য কুৎসা রটনাকারী কুলাঙ্গার বস্নগার ও ইসলামবিদ্বেষীদের সব অপপ্রচার বন্ধসহ কঠোর শাসিত্মদানের ব্যবস্থা করতে হবে।
  • ব্যক্তি ও বাকস্বাধীনতার নামে সব বেহায়াপনা, অনাচার, ব্যভিচার, প্রকাশ্যে নারী-পুরম্নষের অবাধ বিচরণ, মোমবাতি প্রজ্জ্বলনসহ সব বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে।
  • ইসলাম বিরোধী নারীনীতি, ধর্মহীন শিক্ষানীতি বাতিল করে শিক্ষার প্রাথমিক সত্মর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সত্মর পর্যমত্ম ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করতে হবে।
  • সরকারিভাবে কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা এবং তাদের প্রচারণা ও ষড়যন্ত্রমূলক সব অপতৎপরতা বন্ধ করতে হবে।
  • মসজিদের নগর ঢাকাকে মূর্তির নগরে রূপামত্মর এবং দেশব্যাপী রাসত্মার মোড়ে ও কলেজ-ভার্সিটিতে ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন বন্ধ করতে হবে।
  • জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সব মসজিদে মুসলিস্নদের নির্বিঘ্নে নামাজ আদায়ে বাধাবিপত্তি ও প্রতিবন্ধকতা অপসারণ এবং ওয়াজ-নসিয়ত ও ধর্মীয় কার্যকলাপে বাধা দেওয়া বন্ধ করতে হবে।
  • রেডিও, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় দাঁড়ি-টুপি ও ইসলামী কৃষ্টি-কালচার নিয়ে হাসি-ঠাট্রা এবং নাটক-সিনেমায় খল ও নেতিবাচক চরিত্রে ধর্মীয় লেবাস-পোশাক পরিয়ে অভিনয়ের মাধ্যমে তরম্নণ প্রজন্মের মনে ইসলামের প্রতি বিদ্বেষমূলক মনোভাব সৃষ্টির অপপ্রয়াস বন্ধ করতে হবে।
  • পার্বত্য চট্রগ্রামসহ দেশব্যাপী ইসলামবিরোধী কর্মকা– জড়িত এনজিও এবং খ্রিস্টান মিশনারিদের ধর্মামত্মকরণসহ সব অপতৎপরতা বন্ধ করতে হবে
  • রাসূল প্রেমিক প্রতিবাদী আলেম-ওলামা, মাদ্রাসাছাত্র এবং তৌহিদি জনতার উপর হামলা, দমন-পীড়ন, নির্বিচার গুলিবর্ষণ এবং গণহত্যা বন্ধ করতে হবে।
  • সারাদেশের কওমি মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষক, ওলামা-মাশায়েখ এবং মসজিদের ঈমাম-খতিব কে হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি দানসহ তাঁদের বিরম্নদ্ধে সব যড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে।
  • অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত সব আলেম-ওলামা, মাদ্রাসাছাত্র ও তৌহিদি জনতাকে মুক্তিদান, দায়ের করা সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং আহত ও নিহতদের ক্ষতিপূরণসহ দুষ্কৃতকারীদেরকে বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাসিত্ম দিতে হবে।

 

* ২০১৭ সালে উৎক্ষেপণ করা হবে বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট-বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট।

* জাতি সংঘ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা গৃহীত হয় ২০০০ সালে ।

* The good Muslim World Bank উপন্যাসের রচয়িতা-তাহমিমা আনাম।

* World Bank এর প্রতিবেদন অনুযায়ী রেমিটেন্স আয়ে শীর্ষস্থান ভারতের, ২য় চীন, ৩য় মেক্সিকো, বাংলাদেশ ৬ষ্ঠ।

* ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে সাধারণ ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা-২,৫০,০০০ টাকা।

* ‘রানওয়ে’ হচ্ছে প্রয়াত পরিচালক তারেক মাসুদের জঙ্গীবাদ ও তার প্রভাব সম্পর্কিত চলচ্চিত্র।

* ইউএসএ এর সূচনালগ্নে ১৩টি রাজ্য ছিল।

* এভারেস্ট দিবস পালিত হয়-২৯ মে।

* ২০২২ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল কাতার এ অনুষ্ঠিত হবে।

* ‘বিবিসি জানানা’ বিবিসি এর একটি শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান।

* বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার- কাজী রকিবউদ্দিন আহমেদ।

* জাতীয় ক্রিকেট দলের বর্তমান কোচ-শ্রীলংকার হাতুরাসিংহে।

* সর্বশেষ রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন পাওয়া দল হচ্ছে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, প্রতীক হাতি।

* গেরিলা চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে সৈয়দ শামসুল হক এর নিষিদ্ধ লোবান অবলম্বনে।

* অস্ট্রেলিয়ার আইন সভার নাম-পার্লামেন্ট অব দ্য কমনওয়েলথ।

* “Women Journalist Without Chain” সংগঠনটির ইয়েমেনের। শাসিত্মতে নোবেল বিজয়ী তাওয়াক্কুল কারমান

সংগঠনটির প্রধান।

* ২০১৮ সালে ২১তম কমনওয়েলথ সম্মেলন অস্ট্রেলিয়ার গোলকোস্ট এ অনুষ্ঠিত হবে।

* অস্ত্র রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্র।

* ‘দ্য ভিঞ্চি কোড’ এবং ‘ইনফার্নো’ বই এর লেখক-ড্যান ব্রাউন।

* ২০১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হবে-ইংল্যান্ডে।

* বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পরাশক্তি রাশিয়া সহযোগিতা করেছিল এবং অসহযোগিতা করেছিল পরাশক্তি চীন এবং

যুক্তরাষ্ট্র।

* বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য বেগম রাজিয়া বানু এবং একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য

সুরঞ্জিতসেন গুপ্ত।

* বাংলাদেশের ভিতরে ভারতের ছিলমহল ছিল ১১১টি এবং ভারতের ভিতরে বাংলাদেশের ছিলমহল ছিল ৫৫টি।

* বর্ডার গার্ড আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরম্ন করে ২৩ জানুয়ারি, ২০১১ সালে।

 

TICFA অর্থ/stands for Trade & Investment Co-operation Framework & Agreement. পূর্বে এর নাম ছিল TIFA. TIFA অর্থ/stands for Trade & Investment Framework Agreement. ১৭ জুন, ২০১৩ সালে TICFA এর চূড়ামত্ম খসড়া পাশ হয়।

 

এছাড়া নিমেণাক্ত বিষয়ের উপর গুরম্নত্ব আরোপ করতে হবে-

বিভিন্ন দেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি/প্রধানমন্ত্রী/পররাষ্ট্র মন্ত্রীর নাম, রাজধানীর নাম, মুদ্রা, ভাষা, বিখ্যাত ব্যক্তি, Elaboration, দৈনন্দিন ঘটনা, সমসাময়িক সময়ে ঘটে যাওয়া ঘটনা, বিভিন্ন পুরস্কার ও পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম ইত্যাদি। এছাড়া ভাইভার দিন বাংলা, আরবি, ইংরেজি মাসের নাম ও তারিখ, মুদ্রার বিনিময় মূল্য, প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীরা যদি দেশের বাইরে থাকেন তাহলে কোথায় আছেন, নিজের নামের অর্থ এবং ঐ নামের কোন বিখ্যাত ব্যক্তির নাম, জেলার বিখ্যাত কবি, সাহিত্যিক, চিত্র শিল্পী এবং তাঁদের অবদান ইত্যাদি।

Leave a Comment